শনিবার, ১ মে, ২০২১

গরমে ত্বকের সুস্থতা

 

গরমের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত

গরমে অনেকেরই প্রচণ্ড ঘাম হয়। হয়ে থাকে ঘামাচিও। ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে পানির পাশাপাশি লবণও বেরিয়ে যায়। তাই বেশি ঘামলে সঙ্গে সঙ্গে পানি ও লবণের ঘাটতি পূরণ করতে হবে। ঘামাচি ও অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা প্রতিরোধে গরম আবহাওয়া এড়িয়ে চলার চেষ্টা করাই ভালো। ঘামাচি হওয়ার প্রবণতা থাকলে মাঝেমধ্যে ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর স্পঞ্জ করে নিতে পারেন। তবে খুব বেশি ঘামার প্রবণতা থাকলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত, কেননা অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে কোনো রোগের লক্ষণ। কিছু কিছু চর্মরোগে রোদ এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দেওয়া হয়। এ ছাড়া যেকোনো ব্যক্তির রোদে যেতে হলে নিয়মমাফিক সানস্ক্রিন সামগ্রী ব্যবহার করতে হবে। শরীরে ভিটামিন ডি তৈরি হওয়ার জন্য রোদে যাওয়া ভালো, এ কথা আমরা জানি। কিন্তু প্রচণ্ড গরমের সময়টাতে সকাল ১০টার পর রোদে না যাওয়াই ভালো।

আরও যা মানবেন

খুব গরমেও কারও কারও ঠান্ডা লেগে যায়। সর্দি দেখা দেয়। সাইনোসাইটিস হতে পারে। তাপমাত্রার হঠাৎ তারতম্যে এ রকম হয়ে থাকে। তাই খুব ঠান্ডা থেকে বেরিয়ে খুব গরমে আসা কিংবা এর উল্টোটা—কোনোটাই ঠিক নয়। কর্মক্ষেত্রে হয়তো সাময়িক স্বস্তির জন্য তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত কমিয়ে রাখা হয়, সেখান থেকে বেরিয়েই হয়তো রাস্তায় প্রকট গরমে গেলে সমস্যা হতে পারে। তেমনি অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি, বরফ, আইসক্রিম ইত্যাদির কারণেও অসুস্থ হতে পারেন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহার করলে ঘরের তাপমাত্রা একটা সহজ ও সহনীয় সীমার মধ্যেই রাখা ভালো।

 

লেবেলসমূহ: , , ,

0টি মন্তব্য:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এতে সদস্যতা মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন [Atom]

<< হোম