মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক 24 ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয়

 বিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গিতেঃ

"""""""""""""""""""""""""""""


বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মৃতদেহকে কবর দেওয়ার ঠিক 24 ঘন্টা পরে মানুষের শরীরের ভিতরে এমন পোকার উৎপত্তি হয় যা মৃতদেহের পায়ু দ্বার দিয়ে বেরোতে থাকে। তৎসহ এমন দুর্গন্ধ ছড়ায় যা সহ্য করা অসম্ভব। আর ঐ দুর্গন্ধ পোকার সমগোত্রীয় পোকাদের নেমতন্ন দেয়।


দুর্গন্ধ পেয়ে সমস্ত পোকা, মাকড়, বিছে মানুষের মৃতদেহের দিকে যাত্রা শুরু করে আর সবাই মিলে মানুষের মাংস খাওয়া শুরু করে দেয়। কবরস্থ করার তিনদিন পরে সবচেয়ে প্রথমে নাকের অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে এবং পচন ধরে যায়। 


৬ দিন পরে নখ খসে পড়তে থাকে।


৯ দিন পরে চুল খসে পড়া শুরু হয়। মানুষের শরীরের সমস্ত লোম ঝরে পড়ে আর পেট ফোলা শুরু হয়ে যায়, 


১৬ দিন পরে পেট ফেটে যায় আর শরীরের ভিতরের সমস্ত অংশ বাহিরে বেরিয়ে আসে। 


৬০ দিন পরে মৃতদেহের শরীরের সমস্ত মাংস শেষ হয়ে যায়। মানুষের শরীরে একটু টুকরো মাংস অবশিষ্ট থাকে না। 


৯০ দিন পরে সমস্ত হাড় একে অপরের থেকে পৃথক হয়ে যায়। 


১ বছর পরে মানুষের শরীরের সমস্ত হাড় মাটির সঙ্গে মিশে যায়। আর যে মানুষের মৃতদেহ কবরস্থ করা হয়েছিল তার সমস্ত অস্তিত্ব মুছে যায়।


অতএব আমার ভাই ও বোনেরা বলুন -


মানুষের এতো অহংকার, এতো আত্মগরিমা, এতো হিংসা, এতো বিদ্বেষ, এতো লালসা, এতো নাম, এতো শৌর্য্য, এতো সম্মান, এতো শক্তি, এতো সামর্থ্য, এতো ধণদৌলত, এতো ক্ষমতা, এই বাদশাহী কোথায় যায়? সবকিছুই মাটিতে মিশে যায়। মানুষের অস্তিত্ব বা কি আছে?


মাটি থেকে সৃষ্ট, মাটিতেই কবরস্থ হয়ে, মাটিতেই মিশে যায়। মানুষ কবরে চলে যাওয়ার পরে তার নাম, চিহ্ন মুছে যায়। এই দুনিয়াতে গাম্ভীর্যের সঙ্গে বিচরণকারী যখন কবরে চলে যায় তখন তার অস্তিত্ব মাটি ছাড়া অন্য কিছুই থাকে না।


অতএব মানুষের আসল জীবন, আমৃত্যু জীবন যাতে সুন্দর হয় এবং শান্তিপূর্ণ হয় তার চেষ্টা করা উচিত এবং সেই মোতাবেক কাজ করা উচিত।


প্রতিটি ভালো কাজ, এবং প্রতিটি উত্তম কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করা উচিত। আর প্রতিটি মন্দ চিন্তাভাবনার অস্তিত্ব নষ্ট করার জন্য সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থণা করা উচিত। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা আমাদের সকলকে বুঝার তৌফিক দান করুন (আমিন)!

কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা

 একজন ব্যাক্তি ডিজিটাল মার্কেটিং করে তার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারে। ডিজিটাল

সফলতার গল্প

মার্কেটিং হলো অনলাইন জগতের সবচেয়ে সহজ ও মানসম্মত একটি জব। এটি অন্য জবের তুলনায় সহজ কেননা এই জবে মাত্র ১০ শতাংশ সৃজনশীল মনোভাবের প্রয়োজন পড়ে, ৩০ ভাগ তার ইচ্ছাশক্তি, ৩০ ভাগ কর্মক্ষমতা ও ৩০ ভাগ অন্যের কাজকে অনুসরণের উপর নির্ভর করে। বর্তমানে সারাবিশ্বে প্রায় ২০০ কোটি মানুষ ইউটিউব, ১৮০ কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে,  তাছাড়া অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে আরো ৫০০ মিলিয়ন মানুষ।  এক্ষেত্রে আপনি যদি চেষ্টা করেন, আপনি ও পারেন ঐ ৩০০ কোটি মানুষের সাথে লেনদেন করে আপনার ক্যারিয়ারের ধ্বনি উত্তোলিত করতে। পৃথিবীর সবচেয়ে ধ্বনি ব্যাক্তি  যিনি আমাজন এর মালিক, মজার ব্যাপার হলো, আমাজন একটি ডিজিটাল মার্কেটিং,  তাছাড়া বিশ্বের শীর্ষ জব সাইট আলী বাবা,  দারাজ, ই- কমার্স ইত্যাদি এগুলো হলো এক একটি শীর্ষ ডিজিটাল মার্কেটিং সাইট। 

অতএব আর দেরি নয়, এখনই চলুন ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে অন্তত টপ রেংকিংয়ের ধ্বনী ব্যক্তি হতে না পারলেও নিজেই নিজের উদ্যোক্তা হবো, কারো উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজে চাকরি করব এবং আরো শতশত মানুষকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিবো, অন্যের উপর নির্ভরশীল জীবনের কোনো মুল্য নেই।

আগ্রহীরা ইনবক্স করুন।

এখনকার দিনে এমনটা আসলে কেন হচ্ছে! একসময় মায়েদের ঘরভর্তি সন্তানসন্ততি থাকতো।

 


ছবিটির দিকে বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম। এখনকার দিনে এমনটা আসলে কেন হচ্ছে! একসময় মায়েদের ঘরভর্তি সন্তানসন্ততি থাকতো। প্রথমদিকের সন্তানেরা বিশেষ করে মেয়ে শিশুরা ছোট ভাইবোনদের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতো। নিজেদেরই যখন খেলার বয়স সেই শৈশবে পুরোটা বিকেল কাটতো ছোট্ট ভাইবোনটিকে কোলে রেখেই। পুরো সকালটা যেতো রান্নাঘরের কাজে সহযোগিতায়। সন্ধ্যাটা, রাতটা ছোট ভাইবোনগুলোর কাঁথা পাল্টাতে পাল্টাতে আর ঘুম পাড়িয়েই পার হতো। মা হয়তো সেই সময় অন্য গৃহস্থালির কাজে ব্যস্ত থাকতেন অথবা লাগাতার সন্তান জন্মদানে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী। ঘরের বড় সন্তানদের শৈশব কৈশোর কিভাবে হারিয়ে যেতো এই খোঁজ কেউ রাখতো না। 


এখন আর মায়েরা সচরাচর অতো বেশি সন্তান নেন না। কিন্তু খুব ভুল একটা কাজ করেন। সন্তানকে অতি আগলে রাখতে গিয়ে স্বাভাবিক জীবনের অনেক দক্ষতা অর্জন করার সুযোগ দেননা। বয়স পার হলেও তাই শিশুরা নিজের হাতে খেতে পারে না, নিজের ড্রেসটা, নিজের জুতোটা পরতে পারে না, এক কাপ চা বানাতে পারে না। অনেকটাই অকর্মণ্য এই জেনারেশন তৈরিতে আমরা মায়েরাই যে বহুলাংশে দায়ী তা সময়ে বুঝতে পারি না আমরা। তাই যখন আমি অসুখে পড়ে বিছানায় কাতর হচ্ছি আমার সন্তান তখন টেবিলে ঠিকঠাক খাবার না পেয়ে বিরক্ত হয়ে কলেজে যাচ্ছে। অথবা নাতি-নাতনীর যাবতীয় সকল দায়িত্ব আমার কাঁধে দিয়ে আমার ছেলে/মেয়ে দিব্যি রাতে আরাম করে ঘুমাচ্ছে আর দিনে শুয়ে বসে সময় কাটাচ্ছে। এই অনুভূতিহীনতার বীজটা কিন্তু আমিই বপন করেছিলাম ওর খুব ছোট্টবেলায়। 💔


শিশু ছেলে হোক বা মেয়ে- চলুন নিজের সব কাজে ওদের অংশগ্রহণও নিশ্চিত করি। ওদেরকে নিজের কাজ নিজে করতে উৎসাহিত করি। এখন ওরা চারাগাছ। জল দিয়ে, সার দিয়ে ওদেরকে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করি। শুধু সার্টিফিকেট নিয়ে অর্থ উপার্জনই তো স্ব-অবলম্বন না। নিজেই নিজের অবলম্বন হয়ে উঠুক ওরা- ঘরে, বাইরে, চিন্তায়, মেধায়, মননে। তীরটা আমি হাত থেকে ছুঁড়লেইতো সে লক্ষ্যে পৌঁছাবে তাই না। 


~ Farida Akhter