শনিবার, ১ মে, ২০২১

গরমে ত্বকের সুস্থতা

 

গরমের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত

গরমে অনেকেরই প্রচণ্ড ঘাম হয়। হয়ে থাকে ঘামাচিও। ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে পানির পাশাপাশি লবণও বেরিয়ে যায়। তাই বেশি ঘামলে সঙ্গে সঙ্গে পানি ও লবণের ঘাটতি পূরণ করতে হবে। ঘামাচি ও অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা প্রতিরোধে গরম আবহাওয়া এড়িয়ে চলার চেষ্টা করাই ভালো। ঘামাচি হওয়ার প্রবণতা থাকলে মাঝেমধ্যে ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর স্পঞ্জ করে নিতে পারেন। তবে খুব বেশি ঘামার প্রবণতা থাকলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত, কেননা অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে কোনো রোগের লক্ষণ। কিছু কিছু চর্মরোগে রোদ এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দেওয়া হয়। এ ছাড়া যেকোনো ব্যক্তির রোদে যেতে হলে নিয়মমাফিক সানস্ক্রিন সামগ্রী ব্যবহার করতে হবে। শরীরে ভিটামিন ডি তৈরি হওয়ার জন্য রোদে যাওয়া ভালো, এ কথা আমরা জানি। কিন্তু প্রচণ্ড গরমের সময়টাতে সকাল ১০টার পর রোদে না যাওয়াই ভালো।

আরও যা মানবেন

খুব গরমেও কারও কারও ঠান্ডা লেগে যায়। সর্দি দেখা দেয়। সাইনোসাইটিস হতে পারে। তাপমাত্রার হঠাৎ তারতম্যে এ রকম হয়ে থাকে। তাই খুব ঠান্ডা থেকে বেরিয়ে খুব গরমে আসা কিংবা এর উল্টোটা—কোনোটাই ঠিক নয়। কর্মক্ষেত্রে হয়তো সাময়িক স্বস্তির জন্য তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত কমিয়ে রাখা হয়, সেখান থেকে বেরিয়েই হয়তো রাস্তায় প্রকট গরমে গেলে সমস্যা হতে পারে। তেমনি অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি, বরফ, আইসক্রিম ইত্যাদির কারণেও অসুস্থ হতে পারেন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহার করলে ঘরের তাপমাত্রা একটা সহজ ও সহনীয় সীমার মধ্যেই রাখা ভালো।

 

লেবেলসমূহ: , , ,

জীবনের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি কেমন হওয়া উচিত

 

broken Heart

জীবনের কোনো কোনো সময় মানুষকে বলতে শোনা যায়, আমার সব আশা শেষ, আমার আর কোনো স্বপ্ন নেই! আসলেই কি কারো আশা শেষ হয় কখনও? স্বপ্ন ফুরিয়ে যায় কখনও? স্বপ্ন ও আশা কী? যা আমরা ঘুমিয়ে দেখি তা স্বপ্ন এবং যা জীবনে করতে চাই তাই আসল স্বপ্ন আর একেই আশা বলা হয়। 

অর্থাৎ মানুষ স্বপ্ন দেখে ঘুমিয়ে আর আশা করে জেগে থেকে। ঘুম ভেঙ্গে গেলেই স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় আর আশা আমৃত্যু থাকে। আশা নিজের থেকে অর্জন করতে চাওয়ার নাম আর যখন আমরা অন্যের থেকে অর্জন করতে চাই তখন তাকে বলা হয় প্রত্যাশা। 

মানব জীবনের আশা কখনও শেষ হয়? না, শেষ হয় না। আশাহীন জীবন মরুভূমির মত। বরং কোনো কারণে কোনো একটা আশা সত্যি না হলে, পূরণ না হলে আমরা হয়ত কিছুদিন ভেঙ্গে পড়ি, হতাশায় ভুগি। হতাশা কাটিয়ে উঠি কিন্তু আশা করা ছেড়ে দিই না। আমরা আবারও আরেকটি স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। আমাদের মনে আরও আশা জাগতে শুরু করে। 

মানুষ স্বপ্ন ছাড়া, আশা ছাড়া বাঁচতে পারে না। পাগলেরও স্বপ্ন থাকে তবে এলোমেলো। সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের স্বপ্ন থাকে গোছানো। আমাদের সবার জীবনেই অনেক অনেক স্বপ্ন থাকে, মনে অনেক আশা থাকে। সব স্বপ্ন সত্যি হয় না। তখন আমরা মন খারাপ করি। 

দুর্বল চিত্তের মানুষ হয়ত মনে মনে ভাবে- 'আর দেখবো না স্বপ্ন। আশা করবো না আর'। স্বপ্ন দেখা কমতে থাকে হয়ত। একেবারে শেষ হয় না কিন্তু। স্বপ্ন দেখা শেষ হবার নয়। আশা শেষ হয় কি কখনও? 

কষ্টে ভেঙ্গেচুরে যাওয়া মানুষটিও ভাবে যে, তার কোনো আশা নেই। সত্যটা হলো- কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের কাছে পৌঁছোবার মনের কোনো এক কোণায় একটুখানি আশা তার থেকেই যায়। একজন কঠিন রোগে আক্রান্ত মৃত্যুপথযাত্রী যার দুনিয়াতে সময় প্রায় শেষ, হয়ত একমাস বাঁচবে এরকম, সেই মানুষটির চোখেও আশার আলো দেখতে পাওয়া যায়।

কেন শেষ হয়েও শেষ হয় না আশা? কারণ মানুষ জীবনকে ভালোবাসে। যিনি ফুলের বা সবজি বাগান করেন তিনি ভালোবেসেই করেন। ভালোবাসেন বলেই বাগানের ফুলগাছগুলোর যত্ন করেন এই আশা নিয়ে যে, তার বাগান ফুলের হাসিতে ভরে উঠবে।

স্বপ্নকে সত্যি করতে চাইলে স্বপ্ন পূরণে যত্নবান হতে হয়। নিজের যোগ্যতা, সামর্থ্য ও পারিপার্শ্বিকতা ইত্যাদির সঙ্গে সমন্বয় থাকতে হয়। আমি নিশ্চয়ই এই আশা করবো না যে আমি চাঁদে যাবো বা জেকে রাওলিং এর মত বিখ্যাত লেখিকা হয়ে যাবো। এটা অবাস্তব। 

মাধ্যম পর্যায়ের আশা পূরণে সহজ হয়। উচ্চাশা হতাশার কারণ হয়। আশা ভঙ্গের যন্ত্রণা পোহাতে হয় তখন। তাই ব্যক্তির যোগ্যতানুযায়ী স্বপ্ন দেখা উত্তম। যোগ্যতার সঙ্গে প্রয়োজন দৃঢ় মনোবল, প্রচেষ্টা ও পরিশ্রম। পৃথিবীতে এমন অনেক সফল মানুষ রয়েছেন, এমন অনেক নজির ভুরি ভুরি যারা মাটি থেকে আকাশ ছুঁয়েছেন। 

আমি তাদের কথা বলছি না এখানে। তাদেরকে অ্যানালাইসিস করার মত জ্ঞান আমার নেই। আমি বলছি গড়পড়তা মানুষদের কথা। আমার মত সাহস কম মেধা শূন্য  মানুষদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ভালোবাসা। স্বপ্নটার প্রতি ভালোবাসা। 

এর মানে হচ্ছে নিজের প্রতি ভালোবাসা। নিজেকে ভালোবাসতে পারলেই আশা পূরণে যত্নবান হওয়া যায়। নিজেকে না চিনলে নিজেকে ভালোবাসা যায় না। নিজেকে ভালোবাসতে না পারলে নিজের স্বপ্ন পর্যন্ত পৌঁছানো সহজ হয় না।

যারা সফল, তারা আগে নিজেকে ভালোবেসেছে। এর মানে কিন্তু আত্মকেন্দ্রিক হওয়া নয়। স্বার্থপর হওয়া নয়। যে বয়সেই আমরা আমাদের নিজেকে চিনতে পারবো, হোক সেটা ৩৫ বা ৪০ বছরে। 

আমাকে দিয়ে কী হবে উপলব্ধি করতে পারলে, আমাদের শুরু করে দেয়া উচিত নিজেকে ঝালাইয়ের এবং যাচাইয়ের। থেমে যাওয়া যাবে না। থামবো তবে বিশুদ্ধ বাতাস নেয়ার জন্য। আমরা যা পারি তা করতে থাকবো। অন্যের চোখে সেটা যত ছোট কাজই হোক না কেন তা করতে থাকা উচিত।

নিজের স্বপ্ন পূরণে লক্ষ্য রাখতে হবে আমাদের দ্বারা কারো যেন ক্ষতি না হয়ে যায়। আশেপাশের লোক আমাকে বা আপনাকে উৎসাহ দেবে না। নিজেকে নিজে মোটিভেট করা যে কতটা কার্যকর! নিজেকে মোটিভেট করা, নিজেকে ভালোবাসা, স্বচেষ্ট থাকা। আশার কাছে, স্বপ্নের কাছে পৌছতে পারা যাবে ইনশাআল্লাহ। যে উত্তম পন্থায় চেষ্টা করে, আল্লাহ তায়ালা তাকে সফল হতে সাহায্য করেন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে- আশা করা উচিত নিজের কাছে। অন্যের কাছে নয়। অন্যের কাছে আমরা যা আশা করি তা প্রত্যাশা ।প্রত্যাশা যত বেশি হবে, কষ্ট পাবার সম্ভাবনাও তত বেশি। প্রত্যাশা কম কষ্টও কম। জীবনের সব ক্ষেত্রে। সংসার জীবনে, কর্মজীবনে ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রেও তাই। 

এ জন্যই বলা হয়েছে, "প্রত্যাশাহীন জীবন স্বর্গের মতন"। তাই বলে আমরা আমাদের প্রিয়জনদের কাছে একেবারেই প্রত্যাশা করবো না, এমনটি নয়। পাশের প্রিয় মানুষটির মন, সামর্থ্য, সময় বুঝে প্রত্যাশা করা উচিত। একজন কাছের মানুষের প্রত্যাশা নিয়ে উক্তি- "আমার এখন কোনো প্রত্যাশা নেই। আমি খুব ভালো আছি তাই। যখন অনেক প্রত্যাশা ছিল তখন অসুখি ছিলাম"।

প্রত্যাশা আর ভালোবাসা একে অন্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই ভালোবাসা শব্দটার অর্থ অনেক ব্যাপক। এর সংজ্ঞা আছে শত শত। আমি ওসবে যাবো না। কারণ ভালোবাসার কোনো ডেফিনেশনই আমার মাথায় ধরে না। যেখানে ভালোবাসা সেখানে প্রত্যাশা। আর প্রত্যাশা কোথায় করা হয় যেখানে ভালোবাসা আছে। ভালোবাসা তো অনেক ধরনের। বৃক্ষের প্রতি ভালোবাসা, পশু-পাখির প্রতি ভালোবাসা, মানুষের প্রতি ভালোবাসা আরও কত শত ভালোবাসার রকম আছে।

প্রণয় থেকে যে ভালোবাসা সেটা আবেগধর্মী। এই ভালোবাসার কারণেই দুটি মানুষ বিয়ে করে এক হয়। একে অপরকে প্রচণ্ড ভালোবাসে বলে মনে হয়। এক সময় সেই প্রচণ্ড ভালোবাসা ফিকে হয়ে যায়। হারিয়ে যায়। কেন ভালোবাসা হারিয়ে যায়? 

ভালোবাসায় থাকে বিশ্বাস, শ্রদ্ধা, সম্মান, আস্থা, সহযোগিতা, সহমর্মিতা, অনুভব। ভালোবাসা হারায় না। কখনই হারায় না। সময়ের ব্যবধানে ধুলো পড়তে পড়তে ভালোবাসা চাপা পড়ে থাকে। মনের মধ্যে, বুকের মধ্যে ভালোবাসা ঠিকই থাকে। 

যদি সত্যিই হারিয়ে যেত তবে চারপাশে এত ভালোবাসার গল্প শোনা যেত না। যারা বলে ভালোবাসা শেষ হয়ে গেছে, হারিয়ে গেছে, তারা ভালোবাসতে পারেনি। তারা ভালোবাসা পায়নি। আমরা বলে থাকি একসময় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে, ভাই-বোনের মধ্যে, আরও নানান সম্পর্কের মধ্যে ভালোবাসা থাকে না। থাকে কিন্তু আমরা উপলব্ধি করতে পারি না। 

কখন থাকে না বা শেষ হয়ে যায় বলে মনে হয়? পরস্পরের প্রতি প্রত্যাশা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায় যখন। প্রত্যাশা বাড়তে বাড়তে এক সময় লোভ, স্বার্থপরতা, আত্নকেন্দ্রিকতা চলে আসে। প্রত্যাশা পূরণ না হলে সন্দেহ আর অবিশ্বাস চলে আসে মনে। আর এই সন্দেহকে বাড়তে দেয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয় মোটেই।

বিশ্বাস করতে থাকা উচিত। বিশ্বাস করে কেউ কোনোদিন ঠকে না। আপাত দৃষ্টিতে মনে হয় ঠকে যাচ্ছি। কিন্তু একটা সময় সঙ্গী বা সঙ্গিনীর উপলব্ধি হবেই। যাচাই না করে কারো প্রতি অবিশ্বাস আনা উচিত নয়। সন্দেহ যেখানে আসবে সম্পর্কে ফাটল ধরবেই। তাই সন্দেহকে যে কোনো ভাবেই দুর করা উচিত। 

তাই সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করা। ইতিবাচক চিন্তাভাবনা জীবনকে সহজ করে দেয়। জীবনে জটিলতা সৃষ্টি হয় না। আস্থা রাখা প্রিয়জনের প্রতি। সন্দেহ আর অবিশ্বাসের কারণেই পরস্পরের প্রতি দায়িত্ব-কর্তব্য ভুলে যাই আমরা। 

আর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে সময় দেয়া। গাছে পানি দিলে যেমন গাছ বেঁচে থাকে, তেমনি সম্পর্কেও সময় দেয়া বিশেষ জরুরি। আমরা হয়তবা কর্মক্ষেত্রের কাজের চাপে, রিলেটিভদের প্রতি দায়িত্ব পালনে, বন্ধুদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করতে যেয়ে আমাদের নিকটজনকে সময় সেভাবে দিতে পারি না। 

যখন আমরা এসব মেইনটেন করতে পারি না প্রোপারলি তখনই আমাদের মনে অসন্তুষ্টি আসে। মনে হয় ভালোবাসা নেই আর। কিন্তু আমাদের অপরের অপারগতাও মনে রাখা খুব জরুরি। আশাগুলোকে বড়, প্রত্যাশাগুলোকে ছোট বা শূন্য করতে পারলে পরস্পরের প্রতি দায়িত্ব-কর্তব্য ধরে রাখতে পারলে যে কোনো সম্পর্কে ভালোবাসা বহমান থাকবেই।

যে কোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেই হোক সেটা স্বামী-স্ত্রী বা অন্য যে কোনো। নিজের দোষ আগে দেখা একটা বিশেষ গুন। পাশের মানুষটির গুন খোঁজা, এটা উত্তম বৈশিষ্ট্য। অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ না করা, অল্প ভালোবাসাকে বিরাট করে দেখা, অল্পে সন্তুষ্ট থাকা, কৃতজ্ঞ থাকা, শোকর করা, ধৈর্য ধরা এবং মোস্ট ইম্পরট্যান্ট হচ্ছে ক্ষমা করতে পারা।

এসব যদি জীবনে আনতে পারা যায় তবেই সম্পর্ক সবসময়ই সুন্দর থাকবে। ভালোবাসা থাকবে। হয়ত একই গতিতে যাবে না কিন্তু জীবন ও সম্পর্ক থেকে ভালোবাসা ফুরিয়ে যাবে না।

আর আবেগধর্মী ভালোবাসায় কষ্ট থাকবেই, কম বা বেশি। কোনো একজন বিদগ্ধ লেখক বলেছিলেন, "ভালোবাসা হচ্ছে সিগারেটের ধোঁয়ার মত। যার পরিণাম পোড়া ছাই। ধোঁয়াটা দেখতে পাচ্ছি কিন্তু আগুনের জ্বলুনিটা দেখতে পাচ্ছি না"।

এই কথার মানে কী দাঁড়ায় এই যে, ভালোবাসার ফল শূন্য? নাহ, অবশ্যই তা নয়। কত ভালোবাসার গল্প আছে ওগুলো কি তবে মিথ্যা? পৃথিবীতে ভালোবাসা আছে, থাকবে। স্বপ্ন, আশা, প্রত্যাশা সব থাকবে জীবনে। এসব মানবীয় বৈশিষ্ট্য। শুধুমাত্র আমাদেরকে আমাদের জ্ঞান, বিচার-বিবেচনা, বিবেক-বুদ্ধি, মেধা সঠিক জায়গায় সঠিক সময়ে সঠিক পরিবেশে কাজে লাগানো খুব জরুরি।

লেখক: রেহানা রহমান, শিক্ষক ও কলামিস্ট

লেবেলসমূহ: ,

সুমেরীয় সভ্যতার কথকতা


 

সুমেরীয় সভ্যতা

আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে আধুনিক ইরাকের টাইগ্রিস ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় পর্যায়ক্রমে কয়েকটি সভ্যতার উন্মেষ ঘটে। একই ভূখন্ডে গড়ে ওঠায় সভ্যতাগুলো একত্রে  মেসোপটেমীয় সভ্যতানামে পরিচিত। মেসোপটেমীয় ভূখন্ডে যে সভ্যতাগুলো গড়ে উঠেছিল সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সুমেরীয় সভ্যতা, অ্যাসেরীয় সভ্যতা ক্যালডীয় সভ্যতা। নির্ভরযোগ্য প্রমাণের অভাবে সুমেরীয়দের আদি বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যায় না। কিছু ঐতিহাসিকের মতে, সুমেরীয়দের একটি দল ৪০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের দিকে মেসোপটেমিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল বিশেষত এলেমের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে এসে দক্ষিণ মেসোপটেমিয়ার নিন্মাঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছিল। তাদের নামানুসারে সভ্যতাটি সুমেরীয় নামে পরিচিত হয়। খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দে কৃষি কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ সুমের জাতি অঞ্চলে প্রাচীন সভ্যতার উন্মেষ ঘটিয়েছিল।



সুমেরীয়রা কতগুরল নগরের গোড়াপত্তন করেছিল তাদের সভ্যতার প্রাণ কেন্দ্র ছিল- লাগাস, কিস, ইরিদু এবং উরুক। সুমেরীয়রা প্রথম মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে খাল খনন, জলাশয় বাধ নির্মান করে সেচ ব্যবস্থা গড়ে তোলে এবং নিজেদের উন্নতি ঘটিয়ে নগর সভ্যতার উদ্ভব ঘটায়। ৩৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের মধ্যে প্রায় ১৮টি নগর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এসব নগর রাষ্ট্রের প্রশাসকদেরএনসিনামে ডাকা হতো। বিখ্যাত শাসক সারগন সুমেরের নগর রাষ্ট্রগুলিকে একত্রিত করে সভ্যতার বিকাশ ঘটান। সুমেরিয়ায় সারগনের প্রতিষ্ঠিত আক্কাদীয় রাজ্য দুশো বছরের স্থায়ী ছিল। সুমেরীয়দের পরবর্তী বিখ্যাত শাসক ছিলেনডুঙ্গি সম্রাট ডুঙ্গির নেতৃত্বে সুমেরীয়গণ খ্রিষ্টপূর্ব ২১০০ অব্দে একটি ঐক্যবদ্ধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেন। ডুঙ্গি সুমের জাতির জন্য সর্বপ্রথম একটি বিধিবদ্ধ আইন বা কোড প্রচলন করেন।


সুমেরীয় সমাজ বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত ছিল। প্রথমস্তরে ছিল শাসক, ধর্মযাজক, দ্বিতীয় স্তরে সাধারণ নাগরিক এবং তৃতীয় স্তরে ক্রীত দাস সম্প্রদায়। শাসকগণ ইশ্বরের প্রতিনিধি দাবি করে দেশ শাসন করতেন। দাসদাসীরা শাসকদের সেবায় নিয়োজিত থাকতো। স্বাভাবিক ভাবেই দাসদাসী এবং কৃষক ছিল সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়।

সুমেরীয়দের আইনের মূল বিষয় ছিল প্রথমতঃ অপরাধীকে তার কৃত অপরাধের জন্য তদ্রুপ শাস্তি দেয়া, অর্থাৎ চোখের বদলে চোখ। দ্বিতীয়তঃ একধরণের বিচার আদালত বিদ্যমান ছিল, যেখানে বাদী-বিবাদী উভয়কেই হাজির করা হতো। তৃতীয়তঃ ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় সামাজিক মর্যাদার প্রতি লক্ষ্য রাখা হতো। বিশেষ করে সামরিক বাহিনীর বিচারকার্য কঠোর ছিল। অথচ সামরিক বাহিনীতে একমাত্র অভিজাতদেরই অংশগ্রহণ করার সুযোগ ছিল। অন্যান্য সমাজের মতো সুমেরীয় আইনও গড়ে ওঠেছিল তাদের সামাজিক বিধি ব্যবস্থার মধ্যদিয়েই। সুমেরীয়দের বিখ্যাত সম্রাট ডুঙ্গি প্রথম আইন সংকলণ করেন। সুমেরীয়দের আইন ব্যবস্থা পরবর্তী সমসাময়িক সভ্যতাগুলির উপর প্রভার বিস্তার করেছিল।

সুমেরীয়রা অনেক দেব দেবীতে বিশ্বাসী ছিলেন। তাদের এক একটি দেবতা এক একটি নামে পরিচিত ছিল। বিখ্যাত দেবতা শামাশ সূর্যদেবতা, এনলিল বৃষ্টি বায়ুর দেবতা এবং ইশতা নারী জাতির দেবতা নামে পরিচিত ছিলেন। তবে তাদের প্রধান দেবতা ছিল নার্গাল। সুমেরীয় সভ্যতায় মিশরীয় সভ্যতার অনেক প্রভাব থাকলেও মিশরীয়দের মতো তাদের মধ্যে পরকালের ধারণা বা পুর্নরুজ্জীবন বা স্বর্গ-নরকের ধারণার জন্ম লাভ করেনি। সম্ভবতঃ এই কারণে সুমের অঞ্চলে মৃতদেহকে কেন্দ্র করে কোন প্রকার অট্টালিকা, সমাধি বা মমির প্রবণতা দেখা যায় না। তারা মৃতদেহকে কবর দিত।

সুমেরীয়রা পড়ালেকায় উৎকর্ষ সাধন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। কোন কোন ক্ষেত্রে প্রতিবেশী মিশরীয়দেরকে অতিক্রমও করেছিল। যেমন, সুমেরীয়রাগিল গামেশনামক মহাকাব্য রচনা করেছিল। খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ অব্দে এই মহাকাব্য রাচিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

সুমেরীয় সভ্যতার অন্যতম কীর্তি ছিল একধরনের লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন। এই পদ্ধতি ছিল প্রথমতঃ


চিত্রলিপ এবং পরবর্তীতে তা শব্দলিপিতে রূপান্তরিত হয়। এই লিখন পদ্ধতিকিউনিফর্মনামে পরিচিত। কাঁদা মাটিতে চাপ দিয়ে চিত্রাংকন দ্বারা মনেরভাব প্রকাশ করতো।

সুমেরীয় নগর সভ্যতায় পোড়া ইটের ব্যবহার হতো। তবে মিশরীয়দের মতো সুমেরীয়রা পাথরের ব্যবহার করতোনা বলে তাদের তৈরি ইমারতে দীর্ঘস্থায়ী হতো না। সম্ভবতঃ সুমের অঞ্চলে পাথর দুস্প্রাপ্য ছিল। তবে তাদের নগর পরিকল্পনা ছিল খুবই নিখুত। দালানের দেয়ার ইটের তৈরী হলেও ছাঁদ ছিল কাঠের তৈরী। সুমেরীয় শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকীর্তিজিগুরাতনামক ধর্মমন্দির। প্রায় প্রতি নগরেই এইরূপ জিগুরাত ইমারত তৈরী হয়েছিল।

সুমেরীয় অন্যান্য কৃতিত্বের মধ্যে ছিল গণনা পদ্ধতি, গুণভাগ নির্ণয়, চন্দ্র ভিত্তিক বর্ষপঞ্জি তৈরী, পানি দ্বারা চালিত একধরনের ঘড়ি। অন্যদিকে কৃষি ছিল সুমেরীয়দের প্রধান জীবিকা। দ্বিতীয় পেশা হিসেবে তারা ব্যবসা বাণিজ্যের প্রচলন ঘটায়। পার্শ্ববর্তী দেশগুলো সঙ্গে তাদের বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

 


 

বেকারত্ব দুরীকরনে আউটসোর্সিং


বর্তমান বাংলাদেশে আউটসোর্সিং এর অবস্থান আশাব্যঞ্জক। দেশের অনেক তরুন লেখাপড়ার পাশাপাশি আউটসোর্সিং এর কাজ করছে। অনেকেই দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া করে চাকরির আশায় না থেকে আউটসোর্সিং এর কাজ করছে। আউটসোর্সিং করতে গিয়ে অনেকে নতুন নতুন প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডিজইন ও গ্রাফিক্সের কাজ শিখছে। এতে তরুনদের অভিজ্ঞতা দিন দিন বাড়ছে। তারা এসব কাজ শিখে দিন দিন দক্ষ হয়ে উঠতেছে। যার প্রতিফলন দেখা যাবে অদুর ভবিষ্যতে। লিখেছেন মামুন আল কারিম। এখন শুধু ঢাকা নয়, ঢাকার বাইরেও অনেকে আউটসোর্সিং এর পেশা হিসেবে বেছে নিছেছে। কয়েক বছর ধরে এই তথ্যপ্রযৃক্তিবিষয়ক আউটসোর্সিং এ বাংলাদেশ যেভাবে উন্নতি সাধন করছে, আগামী কয়েক বছেরে তা বৈদেশিক মৃদ্রা আয়ের দিক থেকে সবর্োচ্চ স্থান দখলকারী গার্মেন্ট শিল্পকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা যায়। প্রতি বছর এ খাতে বৈদেশিক মুদ্রা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে। দেশের তরুনা আউটসোর্সিং এর কাজে দক্ষতার স্বাক্ষর রাখছে। আউটসোর্সিং এর ব্যাপারে বিষয়টা সম্পূর্ন আলাদা এখানে যে যত বেশি দক্ষ, তার কাজ তত বেশি। বিদেশী বায়াররা কোনো জব বা কাজ পোস্ট করার পর দেশের তরুণরা অন্যদের সাথে পাল্লা দিয়ে বিড করে ইন্টারভিউ দিয়ে বায়ারদের মানসম্মত কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছেন দেশের তরুণরা। আউটসোর্সিং শুরু: নিজের কাছে কাজাটি ভালো লাগলে যত দ্রুত সম্বব শুরু করতে হবে। যত আগে শুরু করবেন তার তত অভিজ্ঞতা বাড়বে, কাজ বাড়বে সবর্োপরি নিজেও প্রস্তুত হবে বেশি কাজের জন্য। আউটসোর্সিং এর জন্য অনলাইন যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সময়ের কাজ সময়ে করতে হবে। একবার কোনো কাজ সময়মতো ও সঠিকমতো করতে না পারলে পরে ওই ফ্রিলান্সার এর কাজ পেতে সমস্যা হতে পারে। এজন্য খুব বেশি স্বচ্ছতার সাথে কাজ করতে হবে। সফল হওয়ার সম্বাবনা: আউটসোর্সিং হল কোনো প্রতিষ্ঠানে তাদের কাজ অন্যদের দিয়ে করিয়ে নেয়া। সাধারনত কোন প্রতিষ্ঠান কোন ধরনের কাজ করতে চান সেটা কোন মাধ্যমে প্রকাশ করেন, যারা সেই কাজ করতে আগ্রহি তারা টেন্ডার এর মাধ্যমে অংশ নেয় সেই কাজ পাওয়ার জন্য। তবে এজন্য যে আউটসোর্সিং করবে তার দক্ষতার এবং অভিজ্ঞতার পরিচিত তুলে ধরা, কী কী সুযোগ আছে সেগুলো তুলে ধরা এবং প্রতিযোগিতামূলক দাম নিয়ে প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করা। প্রতিষ্ঠানটি এক দিকে আপনার কাজ ঠিকভাবে করার যোগ্যতা আছে কি না এবং অন্য দিকে কম দামে কাজটি করানো যাবে কি না তা নিয়ে চেষ্টা্ করে। এই দুই শর্ত পূরণ করলে আপনি কাজ পেতে পারেন। এক্ষেত্রে ফ্রিলান্সার, ফাইবার, গুরু, ওডেস্ক ইত্যাদি এ ধরনের সাইট আপনার এবং কাজ করাতে আগ্রহি প্রতিষ্ঠানে যোগসুত্র স্থাপনের কাজটি করাবে। আউটসোর্সিং লাভ কেনো এত সন্দেহ করার অবকাশ নেই। তবে এজন্য প্রস্তুতি থাকতে হবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান 5 বছরের অভিজ্ঞতা চায় তবে এখন থেকে শুরু করেন 5 বছর পর আপনি সেই কাজটি পাবেন। এজন্য যদি আউটসোর্সিং এর কাজ পেতে চান তাহলে সময় ব্যয় না করে এখনই কাজে হাত দিন। বিষয় নির্ধারণধ: আউটসোর্সিং এর কাজের জন্য বিষয় নির্ধারন খুবই গুরুত্বপূর্ন। আউটসোর্সিং এ সফলতার জন্য নিজের দক্ষতা বা নিজের পছন্দের বিষয় অনুযায়ী কাজ খুজে বের করতে হবে। একজন ফ্রিলান্সার এর প্রথম কাজ হলো তিনি কোন কাজটি করবেন তা আগে নির্ধারণ করা। কারণ তাকে আন-র্জাতিক বাজারে নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে বিড করে কাজ করে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা না থাকলে নতুন কাজ নেয়া ঠিক হবে না। আউটসোর্সিং এর মূলমন্ত্র হল মেধা ও দক্ষতা। আর সবচেয়ে বেশি থাকতে হবে ধৈর্য। সংশ্লিষ্ট কাজের পাশাপাশি ইন্টারনেট বিষয়ে ভালো অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কাজ করার ক্ষেত্রে অবশ্যেই ডেডলাইনের দিকে নজর রাখতে হবে। কাজের ক্ষেত্র: আউটসোর্সিং এ ভালো কাজ করতে হলে ভালো ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কাজ করা উচিত। ফাইবার এরকম একটি বিশ্বস্ত সাইট। এটি বিশ্বের জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য ফ্রিল্যান্সিং সাইট হিসেবে পরিচিত। এ সাইটটিতে সমভিত্তিক এবং বরাদ্দকৃত মূল্যের মাধ্যমে কাজ করা যায়। এখানে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডিজাইন, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ব্লগ রাইটিং বা আর্টিক্যাল রাইটিং, ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কাস্টমার সাপোর্ট, সেলস মার্কেটিংসহ বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও বিনামূল্যে নিবন্ধনের মাধ্যমে বিড শুরা করা যায়। সাইডটির ঠিকানা WWW.FIVER.COM. ফাইবার ছাড়াও আরো একটি জনপ্রিয় সাইট হচ্চে ফ্রিলান্সার। এ সাইটেও 32 লাখ 35 হাজার 220 জনের বেশি লোক কাজ করে। ইংরেজীতে দক্ষতা থাকতে হবে: বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে দেশের তরুনেরা ফ্রিলান্সিং এ পিছিয়ে থাকার কারন হচ্ছে ইংরেজীতে দুর্বলতা। ১৬ বছর ইংরেজি পড়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি কমিউনিকেশনের যে অবস'া হয় তা বহির্বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আশানুরূপ নয়। আউটসোসর্িসিং এর জন্য ইংরেজী একটি গুরুত্বর্পূ টুল সেটি বুজতে চান না। ইংরেজীতে আমদের দূর্বলতা আছে এমন চিহ্নিত অংশগুলো উন্নত করতে পারলে আউটসোর্সিং র‌্যাংকিংয়ে আমরা অচিরেই শীষর্ে থাকব। যেহেতু বিদেশি বায়ারদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে সেহেতু ইংরেজীতে ভালো স্কিল থাকা আবশ্যক। বেকারত্ব দূরীকরনে : দেশের প্রেক্ষাপটে আউটসোসিং এখনও শিল্প পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে ফ্রিলান্সার যেভাবে বাড়ছে তাতে দেশে আউটসোর্সিং এ অচিরেই শিল্পের পরযায়ে পোছে যাবে এমনটাই মণে করছেন প্রযুক্তিবিদরা। এত করে দেশের তরুনেরা অর্থনৈতিকভাবে উপকুত হচ্ছে এবং যে বিষয়ে কাজ করছে সে বিষয়ে দক্ষ হয়ে উঠছে প্রতিনিয়ত। এ সেক্টটি এখনও সরকারের সুদৃষ্টি পায়নি। বর্তমানে প্রযুক্তি খাতে যেসব সীমাবদ্ধতা রয়েছে সেগুলো সরকারের অজানা কিছু নয়। এই সেক্টরে খুব কম পুঁজি বিনিয়োগ করে অনেক বেশি লাভবান হওয়ার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস'ানের সহায়ক হতে পারে আউটসোর্সিং। প্রয়োজন অবকাঠামো উন্নয়ন: দেশের তরুনেরা আউটসোসিং এ পিছিয়ে থাকার অন্যতম কারণ হল দেশের ইন্টারনেট ব্যবস্তা। বিভাগীয় শহরে মোটামোটি সহজে ইন্টারনেট পাওয়া গেলেও বেশির ভাগ জেলা শহরে তেমন একটা সুবিধা নেই। যা আছে তা তেমন গতিময় নয়। এর সাথে ঘন ঘন লোডসেডিং তো রয়েছেই। এর সাথে ঘন ঘন লোডশেডিং তো রয়েছেই। বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় দুই কোটি ৮১ লাখ। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আরো বাড়ানো গেলেই দেশের তরুণসমাজকে আউটসোর্সিংয়ে আরো বেশি সম্পৃক্ত করা যাবে।

লেবেলসমূহ: , , , , ,

বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২১

একজন মানুষ কি সবার কাছে ভালো হতে পারে?

 

একজন মানুষ সবার কাছে কিছুতেই ভালো হতে পারবে না..সে যত ভালই হোক না কেন ।
পৃথিবীতে বিভিন্ন মানসিকতার মানুষ আছে। তাদের পছন্দ আলাদা , রুচি আলাদা। আমি যা ভাল মনে করি..অন্যের কাছে সেটা ভাল নাও হতে পারে। অন্যের কোন একটা ভাল আমার ভাল না লাগতেই পারে। তাই সবাইকে একসাথে খুশী করা কারোর পক্ষেই সম্ভব নয়।

আজকাল যা দিন পড়েছে সেখানে তো আরো সম্ভব না। যদি আমি একজন ভালো মানুষের কয়েকটা গুণ ধরি…যেমন সহজ সরল, সত্যবাদী, পরোপকারী, সহিষ্ণুতা ইত্যাদি কে কি ভাবলো তা মনে না করে আমাদেরকে ভালো কিছু করতে হবে।