শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১

৫ উপায়ে শরীর রাখুন বিষমুক্ত

 খাবার খাওয়ার পরে তা অন্ত্রে রাসায়নিক রূপান্তরের ফলে সৃষ্টি হয় কিছু উপাদান, যা দীর্ঘদিন ধরে শরীরের থাকার জন্য পরিনত হয় বিষাক্ত উপাদানে। তবে এটা দূর করাও সম্ভব। শরীর ও মানসক বাবে সুস্থ থাকার জন্য শরির বিষমুক্ত রাখা একান্ত প্রয়োজন। নিয়মিত কিছু সহজ লব্ধ খাবার খেয়ে এই বিষাক্ত উপাদান গুলো দূর করা যায়। 




তিতা খাবার 

তিতা খাবার আমাদের শরির থেকে বিষাক্ত উপাদান গুলো দূর করতে ভালো ভূমিকা পালন করে। 

এক্ষেত্রে চিরতার পানি, করলা বা নিমপাতার রসের জুরি নেই। 


লেবু 

লেবুতে আছে একগুচ্ছ ডিটক্স ডাইট যা টক্সিন নামের বিশেষ জৈব, যা বিষ নষ্ট করতে সহায়তা করে। 

এছাড়াও লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি যা দাঁত ও ত্বকের যত্ন নিতে সহায়তা করে। 

এবং লেবুর ক্ষারীয় প্রভাব আপনার শরীরের  অম্লতার ভারসাম্য রক্ষা করে।  প্রতি দিন এক ফালি / ক্ষন্ড  লেবুর সাথে গরম পানি পান করলে আপনার শরীর থেকে বিষাক্ততা নির্মূল হবে। 

রসুন 

আমরা সবাই জানি হৃদপিন্ড  ভালো রাখতে রসুনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। 

এতে রয়েছে এলিসিন নামের রাসায়নিক উপাদান যা রক্তে শ্বেত রক্তকণিকা উপাদান ও টক্সিন নির্মূলে সাহায্য করে। কাচা রসুন খাওয়ার অনেক উপকার আছে। 

গ্রীন টি 

শরির থেকে বিষাক্ত উপাদান ও জৈব রাসায়নিক উপাদান নির্মূলে বিষেশ ভূমিকা পালন করে। 

তরল এই পদার্থ আমাদের শরিরের বিভিন্ন অংশের কর্মক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা পালন করে। 

এটা শুধু চা নয় ওজন কমানোর ঔষধ নামেও পরিচিত। এতে রয়েছে  উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

টাটকা ফল

তাজা ফলে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ পদার্থগুলো, অ্যান্টিঅক্সিডেনট,ফাইবারনপ কম ক্যালোরি যা শরির থেকে বিষাক্ত উপাদান গুলো দূর করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে চোখ ও ত্বককে পরিষ্কার উজ্জ্বল করে এবং মসৃণ ত্বক করে হজম শক্তি বাড়ায় খাদ্যাভ্যাসের তালিকায় টাটকা ফলের ভূমিকা অনেক। 

বুধবার, ৫ মে, ২০২১

কলার খোসার মধ্যে লুকিয়ে আছে বহু গুণ


 

কলার পুষ্টি গুনের কথা আমরা সাবাই জানি কিন্তু কলার খোসার গুনের কথা কি আমরা জানি। এতে অবসাদ দূর হয়৷‌ কলার খোসায় মুড-নিয়ন্ত্রণ রাসায়নিক সেরোটোনিন থাকে প্রচুর পরিমাণে৷ সেই সেরোটোনিন শরীরের অবসাদ দূর করে। কলার খোসা ব্যবহার করে সহজেই মুখের দাগ দূর করা যায়। মধুর সঙ্গে কলার খোসা মিশিয়ে মুখে ভালো করে ঘষলে এই দাগ দূর হয়। ত্বকের জন্যও কলার খোসা অনেক উপকারী

ব্রণ দূর করতে: ছোট ছোট ব্রণকে তাত্‍ক্ষণিকভাবে দূর করতে সাহায্য করবে কলার খোসা। কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে ব্রণের ওপর ঘষতে থাকুন। কিছুক্ষণ পর দেখবেন ব্রণ কোথায় মিলিয়ে গেছে।

চুলকানি কমায়: শরীরের কোনও জায়গা চুলকাতে-চুলকাতে কি লাল হয়ে গেছে? তা হলে সেখানে মিনিটপাঁচেক কলার খোসার সাদা অংশটা ঘষে নিন। দেখবেন, চুলকানি কমে যেতে সময় লাগবে না। মশার কামড়ের চুলকানি কমাতেও কলার খোসার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

মসৃণ ত্বকের জন্য: মুখমণ্ডল যদি শুষ্ক আর খসখসে হয়, কলার খোসার ভেতরের অংশ মুখে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। তারপর ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ত্বক মসৃণ ও মোলায়েম হয়ে গেছে।

গহনা পরিষ্কারে কলার খোসা: কলার খোসা দিয়ে চামড়ার জুতা, কাপড়, রুপার গয়না পরিষ্কার করতে পারেন। তাতে অলংকার টেকসই হয় ও মসৃণতা বাড়ে।

লেবেলসমূহ: , , , ,

❌এর মেয়ে যখন মিস্টি বউ

 জুয়েলের বাড়ির সবাই এবার উঠে পরে লাগছে তাকে এবার বিয়ে কারায়েই ছারবে কারণ তার বয়স তো আর কম হলো না ৪২ আপ। আর বিয়ে না করার একটা কারনো আছে, তার বাড়ির লোক জানে না,, আর এখন সে ভালো একটা চাকরি করে তাই বাড়ির সবাই মনে করে এখন তার একটা বউ পেলেই তার পরিপূর্ণতা আসে। যেই কথা সেই কাজ, তাকে কিছুটা না জানায়ে বিয়ে  ঠিক করা হলো তার, জুয়েল ও অফিসের কাজে কিছুটা ব্যস্ততায় সে দেখার সময় পায়নি,না দেখে সবার চয়েজে বিয়ে করে ফেলে।তার পর বাসর  রাতে বউয়ের ঘোমটা টা খুলেই

মিস্টি হাসি



চমকে উঠলাম!😯


মীম মীম বলে এক দৌড়ে রুমের বাহিরে 


চলে গেলাম!🏃🏃


-এটা কি করে সম্ভব??🤔🤔


মীম কি দিন দিন যুবতী হচ্ছে??🤨


সেই ১৬ বছর আগে আমার গার্লফ্রেন্ড 


ছিলো মীম!💃💃


#ওর বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর 


ডিসিশন নিয়েছিলাম 


আর বিয়েই করবো না জীবনে!😒💔


ব্যাস! চাকরি খুজতে 


শুরু করলাম!


অনেক উন্নতি করেছি চাকরি করে


এই ১৬ বছরে!🚗🏩🏣


বিয়ে করতে চাইছিলাম না!😒


কিন্তু আম্মা অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় 


আর বাবার চাপে 


এক প্রকার বাধ্য হয়েই বিয়ে করতে 


হয় আমাকে,,,,,,👸🌺👳


#বউকে আমি দেখতেও যাইনি!😒


বাবা সব ম্যানেজ করেছেন!


কিন্তু মীম এই ১৬ বছর পরেও 


এই যৌবন কিভাবে ধরে রাখলো?🤔


ও তো আরও ছোট হয়ে গেছে?😋


এটা কেমনে সম্ভব??😯


#আমার চিল্লানি শুনে বাবা 


নিচ তলা থেকে হাক জুড়েছেন,,,,📢


""ছোটকালের স্বভাব এখনো


গেলো না তোর!?? যা রুমে যা!☹️


আমি বাবাকে খুব ভয় পাই!


তাই জলদি করে রুমে চলে গেলাম!🏩


রুমে গিয়ে দেখলাম 


বউ আমার খুব কান্না করতেছে!😭😭


আমি বললাম কি হয়েছে তোমার?


কান্না শুরু করলে কেন⁉️


--বউ বললো, আপনি আমার মায়ের 


নাম জানলেন কি করে??🤔👸


আমি: মানে কি? প্রশ্ন করলাম??


বউ: মানে আমার আম্মুর নাম হচ্ছে মীম!


আর আমি দেখতে হুবহু আমার 


আম্মুর মতো হয়েছি!🙈🙈


আমি: ওহহহহ তাই বুঝি!!😋😋


মনে মনে বললাম, 


সবুরে মেওয়া ফলে!💯


একটু ধৈর্য ধরলে গার্লফ্রেন্ড 


শাশুড়ীও হয়!!😂😂🙈


কাল্পনিক চিত্রটি 

মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১

কলা একটি পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ খাবার জানেন কি?

কলা অতি জনপ্রিয় একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল। এ ফলে প্রচুর পরিমাণে শর্করা, ভিটামিন এ বি সি এবং ক্যালসিয়াম,  লৌহ ও পর্যাপ্ত খাদ্যশক্তি রয়েছে। অন্যান্য ফলের তুলনায় কলা দামে সস্তা এবং প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। তাই ধনী গরিব নির্বিশেষে সব মানুষ সহজেই কলা খেতে পারে। উৎপাদন, স্বাদ ও সুগন্ধের দিক থেকে শ্রেষ্ঠ হওয়ায় কলাকে ফলের রানী বলা হয়।

পাকা কলায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি আছে। তাই মাত্র একটি কলা খেলেই অনেক সময় পর্যন্ত সেটা শরীরে শক্তি যোগায়।

অতিরিক্ত জ্বর কিংবা হঠাৎ ওজন কমে গেলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়। এসময়ে কলা খেলে শরীরে শক্তির সঞ্চার হবে এবং তাড়াতাড়ি দুর্বলতা কেটে যাবে। কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আছে। তাই হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য কলা একটি উপকারি ফল।

কলা অ্যান্টাসিডের মত কাজ করে। অর্থাৎ কলা হজমে সহায়তা করে এবং পেট ফাঁপা সমস্যা সমাধান করে। এছাড়াও কলা পাকস্থলীতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করতে সহায়তা করে।

কলায় প্রচুর আয়রন আছে যা রক্তে হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে সাহায্য করে। ফলে যারা রক্ত শূন্যতায় ভুগছেন তাদের জন্য কলা খুবই উপকারী একটি ফল।

যারা নিয়মিত বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা প্রতিদিন একটি করে কলা খান ভরা পেটে। কলা বুক জ্বালা পোড়া কমায় এবং পাকস্থলীতে ক্ষতিকর এসিড হতে দেয় না।

১. শরীরের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থার উন্নতি ঘটে : বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত একটা করে কাঁচা কলা খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যার প্রভাবে শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানের মাত্রা যেমন কমে, তেমনি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটতেও সময় লাগে না। আর একবার যদি ইমিউন সিস্টেমের শক্তি বাড়ে, তখন ছোট-বড় কোনও রোগই যে ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না, তা তো বলাই বাহুল্য।

২. ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে : কাঁচা কলায় উপস্থিত রেজিস্টেন্স স্টার্চ হজম হতে সময় নেয়। ফলে বহুক্ষণ ক্ষিদে পায় না। আর ক্ষিদে না পেলে খাবার খাওয়ার পরিমাণও কমতে শুরু করে। ফলে শরীরে ক্যালরির প্রবেশ ঘটে কম। আর এমনটা দীর্ঘদিন ধরে যখন হতে থাকে, তখন ওজন কমতে সময় লাগে না।

৩. শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় : কাঁচা কলায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ডায়াটারি ফাইবার, যা রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে থাকে, সেই সঙ্গে আর্টারির কর্মক্ষমতারে বাড়িয়ে তোলে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি নানাবিধ রোগ দূরে থাকতেও বাধ্য হয়।

৪. পুষ্টির ঘাটতি দূর হয় : খাবারে উপস্থিত পুষ্টিকর উপাদানগুলো যাতে ঠিক মতো শরীরের কাজে লাগতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে কাঁচা কলায় উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান। ফলে নিয়মিত এ ফলটি খেলে অনায়াসেই পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। আর এমনটা হওয়া মাত্র শরীরের কর্মক্ষমতা যে বাড়ে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

৫. ডায়াবেটিসের মতো রোগকে দূরে থাকে : কাঁচা কলা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার কোনও আশঙ্কাই থাকে না। বরং সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো ডায়াবেটিস রোগীরা নিশ্চিন্তে কাঁচা কলা খেতে পারেন। তবে ইচ্ছা হলে এ বিষয়ে একবার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতেই পারেন।

 

 

লেবেলসমূহ: , , ,

ফেসবুকের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করার উপায়

 আপনি কি খুব সহজে ফেসবুকের মাধ্যমে টাকা  ইনকাম করতে চান ? 


ফেসবুকের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করার উপায়

তহলে নিচের পোষ্টগুলো খুব মনেযোগ সহকারে পড়ুন গেরান্টি সহকারে আপনি ফেসবুকের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।


ফেসবুকের মাধ্যমে টাক ইনকার করার জন্য আগে সর্বপ্রথম আপনার একটা কম্পিউটার থাকা লাগবে। তারপর  আপনার ফেসবুক এর সম্পর্কে সাধারন জ্ঞান থাকা লাগবে যেমন শেয়ার করা, কমেন্ট করা, পোষ্ট করা, গ্রুপ এ যয়েন হওয়া এই বিষয়গুলো জানা থাকলেই হবে। এবং ৮-১০ টা একাউন্ড থাকা লগবে। এবং এই একাউন্ড খোলার জন্য আপনি আপনার বাসার অন্য সদস্যদের নম্বর ব্যবহার করে একাউন্ড খুলতে পারেন।

তারপর আপনার যেটা করতে হবে বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং রিলেটেড গ্রুপ এ যয়েন করতে হবে। এবং সেখান থেকে কমেন্ট বা মেসেজ  এর মাধ্যমে আপনার কাজগুলো আপনি যোগাড় করতে পারবেন।

এরপর আপনার যেটা করতে হবে, আপনাকে যে কাজ দিবে যে তার যে প্রোডাক্ট সম্পর্কে বলবে এবং আপনি তার ঐ প্রোডাক্ট এর ধারাবাহিকতার অনুযায়ী ঐ রিলেটেড গ্রুপ এ যয়েন হবেন এবং পোষ্ট করবেন শেয়ার করবেন কমেন্ট করবেন এভাবে তার প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং করতে হবে, যাতে  ঐ প্রডাক্ট টা কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌছে যায়। যে আপনাকে কাজ দিবে তার এতে করে পন্যটি বিক্রি বেশি হবে  এবং সে আপনাকে প্রফিট দিবে। 
আমি আপনাদের ধারনা দিলাম যে কিভাবে আসলে ফেসবুক থেকে  ইনকাম করা যায়।

এবং এই বিষয়গুলো যাদি আপনি আরও ভালভাবে যানতে চান তহলে আপনি  ইউটিউবের সাহায্য নিতে পারেন।



লেবেলসমূহ: , , , , , , ,

ইতিবাচক মনোভাবের মানুষ কিভাবে চেনা যাবে?

 একজন মানুষ অসুস্থ না হলে যেমন তাকে সুস্বাস্থ্যের  অধিকার বলা যাবে না, ঠিক তেমনি ভাবে নেতিবাচক মনোভাব না থাকলেও কাউকে ইতিবাচক মনোভাব সম্পন্ন বলে চিহ্নিত করা যাবে না। ইতিবাচক মনোভাব সম্পন্ন মানুষের কিছু বৈশিষ্ট্য সহজেই নজরে পড়ে। তারা দয়াল,  আত্মবিশ্বাস,  ধৈর্যশীল এবং নিরহংকার। তারা নিজেদের সম্পর্কে এবং অন্যের সম্পর্কে উচ্চ আশা পোষণ করে এবং সব কাজই ইতিবাচক ফল প্রত্যাশা করেন। যাদের মনোভাব ইতিবাচক তারা বারোমাসি ফলের মতো সবসময় সুস্বাদু ও তাই তারা সব সময় স্বাগত। তাই আমাদেরকে সবসময় যে কোন কাজ করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক হতে হবে নেতিবাচক মনোভাব কে দূরে ঠেলে সব সময় ইতিবাচক হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে



ইতিবাচক মনোভাবের সুবিধা  

(The benefits of a positive attitude) 

এই মনোভাবের সুফল অনেক এবং সহজে তা নজরে পড়ে। অবশ্য যা সহজে নজরে পড়ে তা সহজে নজর এড়িয়েও যেতে পারে যাই হোক কয়েকটি সুবিধা উল্লেখ করা যায় 

উৎপাদনশীলতা বাড়ায় 

* সংঘবদ্ধভাবে কাজের পরিবেশ সৃষ্টি করে 

* সমস্যার সমাধানে সাহায্য করে 

* আনুগত্যের মনোভাব তৈরি করে 

* কর্মচার,  মালিক ও  ক্রেতাদের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি করে 

* একটি প্রসন্ন ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ হিসেবে সমাজে পরিচিত হতে সাহায্য করে 




লেবেলসমূহ: ,

শিক্ষিত বেকার যুবকের কর্মসংস্থান করা জরুরী

এই সোনার বাংলায় নেই কর্মসংস্থান ফলে বাড়ছে শিক্ষিত যুবকের সন্ধান। খেটে খেয়ে না খেয়ে করেছি পড়াশো
সোনার বাংলা বলে যারা চিৎকার করে এবং বুক ফুলিয়ে বলে এবাংলা হচ্ছে সোনার বাংলা তারা কি জানে এবাংলার বেকার শিক্ষিত যুবকের সংখ্যা কত তারা কি জানে বেকার শিক্ষিতদের জ্বালা কতটা? এই সোনার বাংলায় নেই কর্মসংস্থান ফলে বাড়ছে শিক্ষিত যুবকের সন্ধান। খেটে খেয়ে না খেয়ে করেছি পড়াশোনা কিন্তু মিলল না একটি চাকরি। কী করে পূরণ করব আমার মায়ের আশা? শিক্ষিত হয়ে পারিনা আমি গ্রামে কাজ করতে পারিনা আামি মাথায় ডালি নিতে পারিনা আমি গায়ে গায়ে ফেরি করতে। সরকার আপনি বুঝুন শিক্ষিত বেকারদের জ্বালা কতটা। গদিতে আসার জন্য দিয়েছেন অনেক প্রতিশ্রুতি আমরাও দিয়েছি আপনাকে গদি। কিন্তু পালিত হল না সেই প্রতিশ্রুতি আমাদের রেখে দিলেন সেই বেকারই। গরিবদের দিলেন চালডাল মাল মশলা শিক্ষিত যুবকদের দিকে তাকিয়ে দেখলেননা এটাই জ্বালা। সরকার একটু দেখেন সেই জ্বালা। যেই জ্বালায় পুরছে যুবকেরা বেকারত্বের জন্য। আমরা কি শিক্ষিত হয়েছি বেকার থাকার জন্য? শিক্ষিত হয়েছি মাথায় ডালি নেয়ার জন্য? সরকার একটু তাকান আজকে শিক্ষিত যুবকেরাই সমাজের কাছে বাবামায়ের সংসারে ব্যাধি হয়ে দাড়িয়েছে কারন নেই কোনো কাজ, নেই কোনো কর্মসংস্থান। শিক্ষিত হয়ে অনেকেই পাড়ি দিচ্ছে দেশবিদেশে মা একটু স্বস্তি দিয়ে বলে বেটা যেও না তুমি দুরে চলে চাকরি হয়নি তো কি হয়েছে তুমি তো শিক্ষিত হয়েছ। এমতা অবস্থায় সরকার এর উচিত দেশের শিক্ষিত বেকারদের জন্য যদিও চাকরি দিতে না পারেন তাহলে তাদের জন্য বিভিন্ন উপায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাতে কোন শিক্ষিত যাতে বেকার না থাকে। এ বাংলা তখনই সোনার বাংলা হয়ে উঠবে থাকবে না কোনো বেকার শিক্ষিত যুবক থাকবে না কোনো খুনখারাবি তোলাবাজি থাকবে না কোনো অন্যায় মদ রাহাজানি থাকবে না কোনো অশান্তির প্রশ্রয় থাকবে শুধু শান্তি।

লেবেলসমূহ: , , , ,

সোমবার, ৩ মে, ২০২১

রোজা রাখার সময় ডায়াবেটিস রোগীদের যেসব বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি

ডায়াবেটিস রোগীদের সুগার লেভেল কমা বা বৃদ্ধির অনেক লক্ষণ রয়েছে। ডায়াবেটিস

 চলছে রোজার মাস। এ সময় ডায়াবেটিস রোগীদের নিজেদের ব্যাপারে বেশি যত্নবান হওয়া উচিত তা না হলে সুগার লেভেল কমা-বাড়ার ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের সুগার লেভেল কমা বা বৃদ্ধির অনেক লক্ষণ রয়েছে। ডায়াবেটিস রোগীদের সুগার লেভেল কমে গেলে অতিরিক্ত ঘাম, ঠান্ডা লাগা, খিদে পাওয়া, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া এবং মাথা ঘোরা সমস্যা দেখা দেয়। আর সুগার লেভেল বেড়ে গেলে রোগীর ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যায় ও ঘন ঘন প্রস্রাব পেতে থাকে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, সুগার রোগীদের রোজার মাসে প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।

ডায়াবেটিস রোগীরা সেহরি কীভাবে করবেন  :

ডায়াবেটিস রোগীদের সেহরিতে এমন খাবার খাওয়া উচিত যেগুলি একটু দেরিতে হজম হয়। সাধারণত সুগারের রোগীরা পরোটা খেতে পারেন না, তবে সেহরিতে কম তেল দিয়ে তৈরি পরোটা খেতে পারেন। দেরিতে হজম হয় এমন খাবারর মধ্যে হালিমও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। হালিমে মাংস এবং ডাল থাকার কারণে ফাইবার প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, যার ফলে দীর্ঘক্ষণ খিদে পায় না। পেট ভর্তি থাকে। সেহরিতে অতিরিক্ত তেল-মশলা-ভাজা জাতীয় খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন। সেহরিতে কাস্টার্ড বা কোনও ধরণের মিষ্টি জাতীয় খাবার খাবেন না।

ডায়াবেটিস রোগীরা ইফতার করবেন :

ডায়াবেটিস রোগীরা খেজুর দিয়ে রোজা খুলতে পারেন। গবেষণা অনুযায়ী, একটি খেজুরে ছয় গ্রাম কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়। এছাড়াও, খেজুরে খনিজ, ফাইবার, ফসফরাস এবং পটাসিয়ামও রয়েছে। পটাসিয়াম ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ইফতারের সময় ফলের সালাদ চিনি, ক্রিম এবং দুধ ছাড়াই খাওয়া যেতে পারেন। সামান্য লেবুর রসও ফলের সাথে দেওয়া যেতে পারে। তেল, লবণ লাল মরিচের গুঁড়ো এবং চিনিযুক্ত খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া এড়ানো উচিত।

ডায়াবেটিস রোগীরা রোজার সময় খাদ্যতালিকায় ফল, শাকসবজি, ডাল, দই ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। পানিশূন্যতা দূর করতে, সুগার ফ্রি পানীয় বা যতটা সম্ভব বেশি পরিমাণে পানি পান করুন। ১৪-১৫ ঘণ্টা রোজার প্রভাব রক্তচাপের উপর প্রভাব পড়ে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তচাপ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। সময়মতো সুগার চেক করাও জরুরি।

লেবেলসমূহ: , , , ,

রোজায় শারীরিক উপকারিতা

ফাস্টফুড, সাদা রুটি, পিৎসা জাতীয় তৈরি খাবার শরীরের ভেতরে ঢুকে ‘টক্সিন’ বা দূষিত পদার্থে রূপান্তরিত হয়৷

 রোজা রাখা শুধু ধর্মীয় অনুভূতির জন্য নয়, স্বাস্থ্য রক্ষাতেও কার্যকরী৷ উচ্চ রক্তচাপ কমাতে বা শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করতে ভূমিকা রাখে রোজা। এর উপকারিতা সম্পর্কে জার্মানিতে একটি সমীক্ষার ফলাফলে জানা গেছে, শতকরা ৫৫ জন জার্মান একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত না খাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। একটি অ্যামেরিকান গবেষণা থেকে জানা যায়, রোজা রাখলে তা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে

দূষিত পদার্থ বের করে দেয়
ফাস্টফুড, সাদা রুটি, পিৎসা জাতীয় তৈরি খাবার শরীরের ভেতরে ঢুকে ‘টক্সিন’ বা দূষিত পদার্থে রূপান্তরিত হয়৷ এগুলো শরীর থেকে বের হওয়া জরুরি৷ আর সে ক্ষেত্রেই কাজে আসে উপোস করা৷ সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে জমে থাকা ফ্যাট এবং দূষিত ও ক্ষতিকারক পদার্থগুলো বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে বের হয়ে যায়৷ তাছাড়া রোজা রাখলে অনেকটা সময় না খাওয়ার ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণও কিছুটা কমে, ফলে গ্যাসট্রিকের ব্যাথাও কম হয়।

ডায়বেটিস প্রতিরোধে সহায়ক
সারাদিন না খেয়ে থাকার কারণে শরীরের ‘গ্লুকোজ’ বা শর্করা জাতীয় খাবারের দ্রুত ক্ষয় হয় এবং তা দেহের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়৷ এর ফলেই ‘ইনসুলিন’-এর উৎপাদন কমে যায় এবং তা প্যানক্রিয়াসকে খানিকটা বিশ্রাম দেয়৷ গ্লুকোজ ক্ষয়ের ফলে শরীরে ‘গ্লাইক্লোজেন’ তৈরি হয় এবং ‘ব্লাডসুগার’ কমে ডায়বেটিস প্রতিরোধে সহায়ক হয়।

রক্তচাপ হ্রাস করে
না খেয়ে থাকা অবস্থায় শরীরে গ্লুকোজ ও চর্বিকণাগুলোর ক্ষয় হয়ে শক্তি উৎপাদন হয় এবং ‘মেটাবলিক রেট’ কমে৷ তাছাড়া অন্যান্য হরমোনের মতো ‘স্ট্রেস হরমোন’-ও কমে, ফলে রক্তচাপও কমতে পারে৷ এছাড়াও রোজার মাসে ধূমপান কম করা হয়৷ তাই এটা ধূমপান একেবারের মতো ছেড়ে দেবারও একটা পরীক্ষা হতে পারে বলে মনে করেন অনেকে৷ সারাদিন রোজা রাখলে শরীরে ‘কোলেস্টোরল’-এর পরিমাণও কিছুটা কমে, ফলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে।

ওজন কমে
রোজা বা সংযমের মাসে সারাদিন না খাওয়াতে পাকস্থলী কিছুটা ছোট হয় তাই ওজন কমানো হয় সহজ৷ এই অভ্যাস রোজার পরে অব্যাহত রাখলে ওজন নিয়ে আর কোনো চিন্তাই থাকে না৷ অনেক জার্মান কোনো উৎসব বা উপলক্ষ্যে বেশি খাওয়া-দাওয়ার পর অথবা বছরে এক বা দু’বার নিয়ম করে কয়েকদিন উপোস করেন৷ এই উপোসের সময় খাবারের তালিকায় থাকে সেদ্ধ শাক-সবজি, সবজির স্যুপ, গ্রিন টি, অর্থাৎ প্রচুর পানি জাতীয় খাবার৷ যা শরীরকে হালকা ও পরিষ্কার করে।

রোজার পরেও সুন্দর ও ফিট থাকুন
রোজা যেহেতু এখন গরমের সময় হচ্ছে, তাই বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে শরীরে পানিশূন্যতা না হয়৷ তাই ইফতারের সময় ভাজা, পোড়া কম খেয়ে বিভিন্ন মৌসুমি ফল, ডাবের পানি ও তরমুজ খাওয়া স্রেয়৷ তরমুজ হার্ট, ধমনী, কিডনির জন্য খুব উপকারী৷ তাছাড়া আম, কাঁঠাল, আনারস, বাঙ্গি থাকতে পারে ইফতারের টেবিলে৷ এগুলোতে রয়েছে ভিটামিন এ আর সি, যা ‘অ্যান্টি অক্সিডেন্ট’ হিসেবে কাজ করে এবং রোজার পরেও ত্বক সুন্দর ও আকর্ষণীয় রাখে।

লেবেলসমূহ: , , , ,

টানা ১৪ দিন এলাচ পানি খাওয়ার পর...

এলাচের গুণাগুণ

 

আপনার স্বাস্থ্যটা কেমন হবে, তা নির্ভর করে বাড়ির রান্নাঘরের ওপর। এমন অনেক স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ আছেন যারা কিছু গবেষণার মাধ্যমে অনন্য স্বাস্থ্যকর খাবারের হসিদ বের করে ফেলেন। এখানে এমনই এক তথ্য দেওয়া হলো। এলাচের গুণাগুণ সম্পর্কে অনেকেই জানেন। এখানে জেনে নিন এলাচের পানির কথা। একটানা ১৪ দিন এক ব্যক্তি এলাচের পানি খেয়েছেন। এরপর কী ঘটল? জেনে নেওয়া যাক তার ভাষাতেই। 

আসলে শীতকালের শুরুতেই তিনি এলাচের পানি খাওয়া শুরু করেন। শীতে আসলে পানি খেতেও মানুষের ইচ্ছা করে না। তাই এলাচের পানিতে চেষ্টা চালালেন তিনি। এমনিতেই শীতের আবহাওয়ার ত্বক কিংবা চোখ শুকনো থাকে। হাড়-জিরজিরে অবস্থা রীতিমতো। কোষ্ঠকাঠিন্যও দেখা দেয় তাদের। এ অবস্থায় এলাচের পানি খেতে শুরু করলেন তিনি। 

পানি খুব কমই খাচ্ছিলেন তিনি। কেবল এলাচের পানি খাচ্ছিলেন। এমনিতেই তো পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো। কাজেই একটু বেশি বেশি এলাচ পানি খেতে আপাতদৃষ্টিতে কোনো আপত্তি নেই। প্রতিদিন সকালে খালিপেটে হালকা উষ্ণ পানিতে এলাচ ভিজিয়ে খেতে শুরু করি। এলাচের উপকারিতা তো মিলবেই। সঙ্গে পানির উপকারিতা বাড়তি। সকালে উঠেই এক বোতল এলাচ পানি প্রস্তুত করে ফেলতাম। দুপুরের মধ্যে তা শেষ। হালকা ঝাঁঝালো পানিতে উষ্ণতা মিলতো। এভাবে চলল ১৪ দিন। এরপর যা ঘটল- 

১. আমার বিপাকক্রিয়া সুষ্ঠু হতে থাকলো। প্রাণশক্তি বৃদ্ধি পেলো। ক্লান্তিভাব আর আগের মতো আসে না। কাজের চাপে আগে প্রায়ই ক্লান্ত হয়ে যেতাম। কিন্তু এখন আর কোনো চাপই গায়ে লাগে না। একেবারে চনমনে হয়ে সকালে ঘুম থেকে উঠতাম। 

২. আমার ওজন কমে যায় জাদুর মতো। নিয়মিত এলাচ পানি খাওয়ার পর ক্ষুধাও কমে আসে। যদিও তিনবেলাই খেতাম। কিন্তু ওজন স্বাস্থ্যকর পর্যায়ে চলে আসে। 

৩. ত্বকে জেল্লাই বেড়ে গেলো ১৪ দিনে। আগে এমনটা ছিল না। আগের ত্বক এবং এলাচ পানি খাওয়ার পরের ত্বকের পার্থক্য স্পষ্ট বুঝতে পারলাম। 

এমনই বেশ কিছু উপকারিতা মিলল। হজমশক্তি বেড়ে যায়। দেহে অবসাদ ভাব আর থাকে না। গোটা দিনজুড়ে কোনো খারাপলাগা অনুভূতিও উধাও হয়ে যায়


লেবেলসমূহ: , , , ,

ইফতার রেসিপি

রোজার সময় খাদ্যতালিকায়


 

পবিত্র মাহে রমজান কাল শুরু। রমজান মাসে অনেকে অসুস্থতা সত্ত্বেও পবিত্র রোজা পালন করে থাকেন। আবার অনেক সুস্থ ধর্মপ্রাণ মুসলমান রোজা পালনকালে অসুস্থবোধ করেন। অনেকে আবার ইফতার ও সাহ্‌রিতে আহারের সময় অপরিকল্পিতভাবে খাদ্য নির্বাচন করেন। এসব ক্ষেত্রে রোজাদারেরা অনেক ধরনের শারীরিক সমস্যার মধ্যে পড়েন। দৈনিক চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখেই এ সময় খাদ্য নির্বাচন করা দরকার।

রোজা পালনের জন্য প্রয়োজন সঠিক খাবার নির্বাচন, শারীরিক সুস্থতা, মানসিক শক্তি এবং অদম্য ইচ্ছা ও আনুগত্য। কিছু নিয়ম, নীতি ও পরামর্শ অনুসরণ করলে সুস্থভাবেই রোজা পালন করা যায়।


সঠিক খাবার তালিকা অনুসরণ করে রোজা রাখা উচিত। কখনোই শুধু পানি খেয়ে রোজা রাখবেন না। অতিভোজন থেকেও বিরত থাকুন। খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে ধীরে ধীরে খাবেন, যা আপনার হজমে সহায়ক হবে। ইফতার ও সাহ্‌রিতে আট থেকে দশ গ্লাস পানি পান করুন। গ্লাস গুনে পানি খেতে অসুবিধা হলে সমপরিমাণ পানি বোতলে ভরে রাখুন এবং ইফতার থেকে সাহ্‌রির সময়ের মধ্যে তার পুরোটা পান করুন। এনার্জি ড্রিংক, কার্বনেটেড ড্রিংক এবং সোডাজাতীয় পানীয় বর্জন করুন। এগুলো অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দেয়। সারা দিন অভুক্ত থাকার ফলে শরীরের শক্তির জন্য প্রয়োজনীয় এবং দ্রুত শক্তি পাওয়া যায় এমন খাবারের উদাহরণ হলো গ্লুকোজ। এ ছাড়া তৎক্ষণাৎ শক্তির জোগান দিতে সক্ষম খাবারের মধ্যে আছে আঙুর, খেজুর, ফলের রস। এগুলো যেমন শরীরে সহজে শক্তি আহরণে কাজে লাগে, তেমনি শরীরের পানি ও খনিজের প্রয়োজনও মেটায়। মিষ্টি শরবত, মিষ্টান্নজাতীয় অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার শরীরের ক্ষতি করতে পারে। তাই এ ধরনের খাবার বর্জন করা ভালো।


ইফতারে যা খাবেন: একজন রোজাদার ইফতারে কী খাবেন, তা নির্ভর করবে তার স্বাস্থ্যের অবস্থা ও বয়সের ওপর। রমজান মাস এলে বিকেলবেলা থেকেই ইফতারের জন্য নানা খাবার তৈরি ও বিক্রির হিড়িক পড়ে। এ সময় হরেক রকম ইফতারির পসরা দেখা যায় রাস্তার পাশে, ফুটপাতে, অলিগলিতে, হাটে-বাজারে। এসব ইফতারির মধ্যে রয়েছে ছোলা, মুড়ি, পেঁয়াজি, বেগুনি, ডাল ও সবজি বড়া, আলুর চাপ, খোলা খেজুর, হালিম, বিভিন্ন ধরনের কাবাব, জিলাপি, বুন্দিয়া ইত্যাদি। আরও রয়েছে বিভিন্ন ফল ও ফলের রস, আখের গুড়ের শরবত, নানা রং মিশ্রিত বাহারি শরবত। এ ছাড়া মুখরোচক বিরিয়ানি ও তেহারি তো আছেই।

এসব মুখরোচক খাবার স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি করা হয়েছে কি না, এগুলোতে ভেজাল তেল, বেসন ও কৃত্রিম রং মেশানো হয়েছে কি না, সেদিকে নজর দেওয়া উচিত। কোনো কিছু ভাজার জন্য একবারের বেশি তেল ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, একই তেল বারবার আগুনে ফোটালে কয়েক ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য তৈরি হয়, যেমন পলি নিউক্লিয়ার হাইড্রোকার্বন। এই রাসায়নিকের মধ্যে বেনজা পাইরিন নামক ক্যানসার তৈরিতে সক্ষম এমন পদার্থের মাত্রা বেশি থাকে। সুস্থ, স্বাস্থ্যবান রোজাদারের জন্য ইফতারিতে খেজুর বা খোরমা, ঘরের তৈরি বিশুদ্ধ শরবত, কচি শসা, পেঁয়াজি, বুট, ফরমালিন অথবা ক্যালসিয়াম কার্বাইডমুক্ত মৌসুমি ফল থাকা ভালো। ফলমূলে ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় এবং সহজে তা হজম হয়। রুচি অনুযায়ী বাসার রান্না করা নুডলসও খেতে পারেন ইফতারে। তেহারি, হালিম না খাওয়াই ভালো। কারণ, এতে বদহজম হতে পারে। রুচি পরিবর্তনের জন্য জিলাপি খেতে পারেন। তা ছাড়া গ্রীষ্মকালীন রমজানে পরিমাণমতো বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত। এশা ও তারাবির নামাজের পর অভ্যাস অনুযায়ী পরিমাণমতো ভাত, মাছ অথবা মুরগির মাংস, ডাল ও সবজি খাবেন।


কী খাবেন সাহ্‌রিতে: শরীর সুস্থ রাখার জন্য সাহ্‌রি খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখতে হবে, সাহ্‌রির খাবার মুখরোচক, সহজপাচ্য ও স্বাস্থ্যসম্মত হওয়া প্রয়োজন। রমজানে স্বাভাবিক নিয়ম পরিবর্তন করে সুবহে সাদিকের আগে ঘুম থেকে উঠে খাওয়াদাওয়া সেরে নিতে হয়। সকালের নাশতার পরিবর্তে খুব ভোরে সারা দিনের উপবাসের সময় চলার মতো খাবার প্রয়োজন হয়। অধিক তেল, অধিক ঝাল, অধিক চর্বিজাতীয় খাবার খাওয়া একদম উচিত নয়। ভাতের সঙ্গে মিশ্র সবজি, মাছ অথবা মাংস খাবেন। অনেকেই মনে করেন, যেহেতু সারা দিন না খেয়ে থাকতে হবে, তাই সাহ্‌রির সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত বেশি খাবার খেতে হবে। তা মোটেই ঠিক নয়। কারণ, চার–পাঁচ ঘণ্টা পার হলেই খাদ্যগুলো পাকস্থলী থেকে অন্ত্রে গিয়ে হজম হয়ে যায়। তাই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি না খাওয়াই ভালো বরং মাত্রাতিরিক্ত খেলে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি।


পিপাসা নিবারণ হয়, সেই পরিমাণ পানি নিজের অভ্যাস অনুযায়ী পান করতে হবে। দীর্ঘ সময় অভুক্ত থাকার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে এবং পানিশূন্যতার কারণে শরীরে নানা জটিলতা দেখা দেয়। তাই ইফতার থেকে সাহ্‌রি পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে অন্তত দেড় থেকে দুই লিটার পানি পান করবেন। অনেকে পানির পরিবর্তে লেমন অথবা রোজ ওয়াটার, শরবত, ভিটামিন ওয়াটারসহ নানা ধরনের প্রক্রিয়াজাত পানীয় পান করেন। এ ব্যাপারে পুষ্টিবিদদের অভিমত, রোজাদারদের শুধু বিশুদ্ধ পানি পান করাই ভালো। কার্বোনেটেড ও সুগার ড্রিংক, চা ও কফি পান করলে শরীর থেকে অধিক পানি বের হয়ে যায়। তাই কার্বোনেটেড, বেভারেজ ও সুগার ড্রিংক বা নানা ধরনের শরবত পরিহার করা উচিত। রোজাদারদের প্রচুর সবুজ শাকসবজি, ফলমূল খাওয়া প্রয়োজন।

মনে রাখতে হবে, ইফতারে বেশি ক্যালরি সমৃদ্ধ এবং সহজে ও তাড়াতাড়ি হজম হয় এমন খাদ্য গ্রহণ করুন। সাহ্‌রিতেও সহজপাচ্য খাবার খান। ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাদ্য বুক জ্বালাপোড়া এবং বদহজমের সমস্যা তৈরি করে। তাই এগুলো বর্জন করুন। রান্নার সময় খাবারে ডালডার পরিবর্তে যতটা সম্ভব কম পরিমাণে সয়াবিন তেল ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত লবণ ও লবণাক্ত খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। কারণ, এসব রোজার সময় পানির পিপাসা বৃদ্ধি করে। যাঁদের চা, কফি, সিগারেট, মদ প্রভৃতি বাজে আসক্তি আছে, তারা এগুলো কমিয়ে আনতে চেষ্টা করুন। কারণ, হঠাৎ এগুলো ছেড়ে দিলে মাথাব্যথা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ঘুমানোর আগে ও সাহ্‌রির পরে অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করতে ভুলবেন না। রোজা রাখা অবস্থায় সকালে ব্যায়াম না করে ইফতারের পর ব্যায়াম করা উচিত। খাওয়ার আগে অবশ্যই হাত ধুতে ভুলবেন না। দিনে গরমের সময়ে ঠান্ডা ও ছায়াযুক্ত স্থানে থাকা উচিত। সম্ভব হলে শারীরিক পরিশ্রম কম করুন। দৈনিক কাজকর্ম এমনভাবে ঠিক করুন, যাতে রাতের বেলা বেশ ভালোভাবে ঘুমানো যায়।

লেখক: প্রধান পুষ্টিবিদ, বিআরবি হসপিটালস লিমিটেড

লেবেলসমূহ: , , ,

রবিবার, ২ মে, ২০২১

ভালোবাসার ভিন্নধর্মী বিশ্লেষণ

 

Break time in love

'ভালোবাসার ভিন্নধর্মী বিশ্লেষণ'


" ভালোবাসা এমন একটা কিছু যা আমরা আবিস্কার করিনি। এটি অনুভব করা যায় , ইহা শক্তিশালি। আমরা ভালোবাসাকে পুরোপুরি বুঝেও উঠতে পারিনি, ভালোবাসা বিধাতার সৃষ্টি একটি শক্তি। এটার নিশ্চয়ই কোন মানে আছে। থাকতেই হবে। ভালোবাসাই হচ্ছে একমাত্র শক্তি ,যা স্থান ও কালের সীমারেখাকে অতিক্রম করতে পারে। "

ভালোবাসা সবার জন্য না,

যাকে বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় তার বোধহয় ভালোবাসার অভাব নেই,

খোঁজ নিলে দেখবেন সেই মানুষটাই সব থেকে বেশী ভালোবাসা হীনতায় ভুগছে,

বাহ্যিক হাসির আড়ালে হৃদয়ের বিশাল শূন্যতা লুকনোর বৃথা চেষ্টা করে যায় প্রতিনিয়ত......

এত মানুষের ভিড়ে খুব অল্প সংখ্যক মানুষ ই ভালো আছে,আর বাকিরা তো ভালো থাকার অভিনয় করছে মাত্র।

ইগো এর কাছে জিততে যেয়ে ভালবাসার নিকট হেরে যেতে হয়।

 এত মানুষের ভিড়ে খুব অল্প সংখ্যক মানুষ ই ভালো আছে,আর বাকিরা তো ভালো থাকার অভিনয় করছে মাত্র।

ভালো থাকার জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো ভালোবাসা।

কেউ চায় না তার জন্য কেউ মিছে মিছে ভালোবাসার বিশাল একটা পাহাড় গড়ে তুলুক ৷

দিনের শেষে মেয়েটি কোনো রাজকুমারের অপেক্ষায় থাকে না,সে চায়,কেউ একজন এক চিমটি সত্যিকারের ভালোবাসা নিয়ে তার জন্য অপেক্ষা করুক, তার সকল বাচ্চামি আর পাগলামী বাঁধাহীন ভাবেই মানুক ৷

তেমনি ছেলেটিও চায়,দিনের শেষে কেউ একজন তাকে শাসন করুক,তার সাথে খুব করে ঝগড়া করুক,নিজের মতো করে আগলে রাখুক ৷ভালোবাসা হতে হবে একটি বৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে, যেখানে সমাজ কখনো বাধা দেওয়ার সাহস করতে পারবে না,কেউ চোখ রাঙাতে পারবে না।

নির্দিষ্ট একটি বয়সে উপনীত হওয়ার পরে বিপরীত লিঙ্গের কারো প্রতি মোহ তৈরি হতে পারে,মোহের মধ্যে ঢুবে না গিয়ে পারিবারিক ভাবে ব্যাপারটি আলোচনার মাধ্যমে সুন্দর একটি বৈধ সম্পর্কের সৃষ্টি হলেই সমাজ থেকে নোংরা ভালোবাসা বিদায় হতে পারে।

ভালোবাসার মূল মন্ত্র হবে শ্রদ্ধা,বিশ্বাস। বিশ্বাস হচ্ছে অাত্নার খাদ্য, অবিশ্বাসের বীজ যে অাত্নায় বপন হয়নি সেই হবে সফল।প্রত্যক পুরুষের সফলতায় একজন নারী পিছনে থাকে।পিছনে থাকা নারীটার কাছ থাকে প্রাপ্ত আত্নবিশ্বাস ই একজন পুরুষকে ব্যাক্তি ও সামাজিক জীবনে সফল করে তোলে।

যার হৃদয়ে ভালোবাসার নামে নোংরা বীজের অঙ্কুর ফুটেছে সে তার চারদিকে শুধু অবিশ্বাসের ছায়া দেখবে,তাই ভালোবাসার আগে বিপরীত ভালোবাসাটা যাচাই করাটাও বাঞ্ছনীয়।

মাহন মে দিবস অমর হউক

 

মে মাস চেতনায় পরিপূর্ণ, মধ্য গ্রীষ্মের সূর্যের মতো।
__ উইলিয়াম শেক্সপিয়ার
শ্রমিকের শ্রমের কারণেই এখনো আমরা সাবলীলভাবে চলতে পারি। কৃষকের শ্রম আমাদের অন্ন্যের যোগান দেয়, পরিবারের কর্তার শ্রম আমাদের জীবিকা চালায়। গাড়ি চালকের শ্রম আমাদের চলার পথকে লাঘব করে, গৃহিণীর শ্রম আমাদের সংসারকে গুছিয়ে রাখে। শিক্ষকের শ্রম সুশীল সমাজ গঠন করে, রাষ্ট্রের শ্রম একটি দেশকে সমুন্নত রাখে। ডাক্তারের শ্রম আমাদের রোগ বালাই থেকে মুক্ত করে, তেমনি ইঞ্জিনিয়ারের শ্রম আমাদের বাসস্থান গড়ে।
কোথায় নেই শ্রম! সকাল থেকে রাত অব্দি প্রতিটি মানুষ শ্রম দিয়েই যাচ্ছেন। কেউ শ্রম বিক্রি করছে, কেউ শ্রম ক্রয় করছে, কেউ বা আমার আপনার মতো সকল কিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে এক স্বপ্ন পূরণের নেশায় শ্রম দিয়ে যাচ্ছে।
১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে সকল মেহনতী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা অবিরাম।