শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১

#শাশুড়ির মনের মতো বউ হয়ে ওঠার জন্য কিছু টিপস : -->

 #শাশুড়ির মনের মতো বউ হয়ে ওঠার জন্য কিছু টিপস : -->

.

১ । শাশুড়ি কে (মা) বলে ডাকতে হবে,,, কারণ মা ডাক হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ডাক,,,

.

২ । শাশুড়ির গোসল শেষে আপনি বলবেন মা আপনি চলে আসেন আমি কাপড় ধুয়ে দিচ্ছি,,,,

.

৩ । ওজুর পানি দিয়ে বলবেন মা আপনি ওজু করে আসছে পানি দিয়ে দিছি,,,,,

.

৪ । শাশুড়ি রাগা রাগি বা বকলে আপনি ও তরক করবেন না,,,, আপনি আরো বলবেন হাসি মুখে আপনি তো আমার মা,, আপনি আমাকে শাসন না করলে কাকে করবেন,, আমি তো আপনার ছেলের বউ না,,, আপনার মেয়ে,,,

৫ । সময় মতো শাশুড়ির খাবার টা আগে দিবেন,,,

.

৬ । সব সময় শাশুড়ির সেবা প্রদানকারী হিসেবে পরিচিত থাকবেন,,,

.

৭ । শাশুড়ির হয়ে কথা বলবেন,, কখনো শাশুড়ির বদনাম করবেন না,,,

.

৮ । শশুর, শাশুড়ি, ননদ, দেবর, বর কে, হাসি খুশি রাখবেন,, এবং আপনি ও সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলবেন,,

.

আশা করি আমার এই টিপস গুলি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে,,, 

ছেলের বউ ঘড়ে আসলে সব মা একটু অন্যরকম হয়ে যায়,, কারণ মা চায়না তার ছেলে মা কে ছেড়ে অন্য একটি নতুন মানুষ কে আপন করে নেক,,, 

.

তাই শাশুড়ি তখন তার রাগ গুলি তার 

ছেলের বউ এর উপর ভিত্তি করে,,,,, 

.

তাই প্রতিটি বউকে বলি শাশুড়ি কে নিজের মায়ের মতো করে নেন,, একদিন আপনি দেখবেন শাশুড়ির প্রিয় বউ আপনি হবেন।।।

👉স্ত্রীকে দাসি নয় বন্ধু ভাবুন

 👉স্ত্রীকে দাসি নয় বন্ধু ভাবুন




গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যৌন উত্তেজনায় জোর করে স্ত্রীর ব্রা খুললেই স্বামী হওয়া যায় না। আমরা স্বামীর দাবি নিয়ে ব্রা খুলতে শিখেছি!!


কিন্তু কখনো কি স্ত্রীকে বলেছি, আজ তোমার শরীরটা কেমন? সারা দিন প্রচুর খাটাখাটনি হয়েছে তাই না? আজ তোমার শরীরটা একটু টিপে দেই? শরীরের ব্যথা  কমে যাবে!!


অফিসে কাজের নামে অন্যের স্ত্রীর সাথে কর্পোরেট ঘষাঘষি করি। কখনো কি মনে পড়ে কেউ একজন দিন শেষে বেলকুনির গ্রিল ধরে পথ চেয়ে আছে আমার অপেক্ষায়। অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত শরীরে,মেজাজ গরমে স্ত্রীকে বলি দুধ চিনি ভাল করে দিয়ে, তাড়াতাড়ি  এক কাপ চা দাও!!!


তখন একবারের জন্য কি মনে হয় না, এই মানুষটাও তো সারাদিন আমার মতো কামলা দিয়েছে, তার আমার মধ্যে পার্থক্য, সে ঘরে দিয়েছে আর আপনি বাহিরে দিয়েছেন!!


রাতে ঘুমের ভান ধরে কম্বলের নিচে মেসেঞ্জারে ডিজিটাল পরকীয়া করার সময়, ঘুমন্ত স্ত্রীর কথা একবারও মনে পড়েনা, আপনি তার বিশ্বাস ও আস্থার জায়গাটা নষ্ট করে তাকে ঠকাচ্ছেন?


বাকি রইলো বিয়ে! দেনমোহর আর কবুল বলেই স্বামী হওয়া যায় না। স্বামী একটি অন্ধ বিশ্বাস, ভরসাময় আস্থা♥


শুধু যৌনতায়ই স্ত্রী সুখ না, ভালবাসায়ই স্ত্রীর অফুরন্ত সুখ, শান্তি🌺


স্ত্রী মানেই রোবট না, স্ত্রীও আপনার মতো রক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ। তাকে বুঝন, বোঝার চেষ্ঠা করুন, বোঝা উচিৎ। স্ত্রী আপনার, দায়িত্ব ও কর্তব্যের পাশাপাশি তাকে ভালবাসাটাও আপনার মহা দায়িত্ব🏖


কখনও কি তাকে জিজ্ঞাসা করেছি, মাসের প্রথমে অথবা শেষে তার শরীর থেকে যেই বিষাক্ত রক্তপাত হয়, তা কতটা কষ্টের ও যন্ত্রনাদায়ক? যৌনতায় ভালবাসা থাকেনা, ভালবাসা থাকে গভীর রাতে যৌন মিলন না করে স্ত্রীকে বুকে জড়িয়ে নিজের হৃদপিন্ডে ঢুকিয়ে তার কষ্টের কথা গুলো শুনার মাঝে, তাকে শান্তনার মাঝে♥♥


দশমাস নয়, মাত্র দশদিন, দশ কেজি ওজনের একটি পাথর আপনার পেটে বেধে দেওয়া হবে। তা নিয়ে এই দশদিন আপনি সমস্ত কাজ করতে পারলেই আপনার সন্তান সেটা স্বীকৃতি পাবেন!!


স্ত্রী কে ভোগ করতে না, ভালোবাসতে শিখুন♥

বুঝতে শিখুন,যে সে কি চায়!!

লেখাটা পড়ার পর অনেকের খারাপ লাগবে কিন্তু

এটাই বাস্তব তাই একটু প্লিজ নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন ♥♥♥

রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে...

 #ঘটনা -১


অদিতি গেস্টদের জন্য নাস্তার আয়োজন করছিলো। শুভ্রর বন্ধুরা এসেছে। ডাইনিং রুম থেকে লিভিং রুমের সব কথাই শোনা যায়! ফল কাটতে কাটতে হাত টা থেমে গেলো! শুভ্র বলছে- " সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে...আর আমার ঘর হলো একরকম রমনী বিহীন।" ব্যাংকার বউ হলে যা হয় আর কি! যদিও হেসে হেসে বলছিলো কথাগুলো! কিন্তু কোথাও একটা প্রচন্ড ব্যাথা হচ্ছিল অদিতির! আজকেই প্রথম নয়। অনেকের কাছেই শুভ্র এমন আক্ষেপ করে! তার নাকি অফিস থেকে ফিরে মাঝে মাঝেই মনে পড়ে- তার বাবা বাড়ি ফিরলে তার মায়ের ব্যস্ততা বেড়ে যেতো! 


অথচ এসব বলার সময় একবার ভাবেনা- ফ্ল্যাটের লোন, গাড়ির ই.এম.আই এগুলো কার বেতন থেকে যাচ্ছে! সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার হলো, আজকাল অন্তু আর অরিনও অভিযোগ করে, মা কে কাছে পায়না বলে! ওরা তো জানেনা, অফিসে প্রতিটি মুহূর্ত ওদের কথা কি ভিষণ মনে পড়ে! মায়ের সময় না দেয়াটাই ওরা দেখতে পায়, অথচ ওদের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, বিলাসী জীবন, এসবের পেছনে তাদের মা'য়েরও যে একটা ভূমিকা আছে, ভেবে দেখেনা একবার! 


#ঘটনা-২


 পুজোর ছুটি শুরু হয়েছে। বাচ্চাদের স্কুল বন্ধ। নীরার ছোট বোন বেড়াতে এসেছে বাচ্চাদের নিয়ে। দুই ভায়রা ভাই গল্প করছে, এদিকে ওরা দু'বোন চা বানাতে বানাতে গল্প করছে। বাচ্চারা খেলেছে। রান্নাঘর থেকে স্পষ্ট শুনতে পেলো নীরা, তার স্বামী অনেক আক্ষেপ নিয়ে বলছে-" বুঝলে ভায়া, ঢাকা শহরে একা হাতে ইনকাম করে সংসার চালানো, অনেকটা যুদ্ধের মত। সহোযোগিতা করবার মতো কেউ তো নেই!" নীরা দীর্ঘশ্বাস ফেললো! কথাটা হয়তো সত্যি, কিন্তু পুরোপুরি কি সত্যি? সে কি কোন সহযোগিতাই করতে পারছেনা!


 এম.বি.এ শেষ করে বিয়ের আগে থেকেই একটা মাল্টিন্যাশনাল কম্পানি তে চাকরি করতো নীরা! বিয়ের পরও করেছে! কিন্তু শায়ান আসার পর আর পারেনি! বিয়ের পর চাকরি, সংসার একসাথে ঠিকঠাক চালাতে হিমশিম খাওয়া জীবন টা বাচ্চা হবার পরে অসম্ভব হয়ে উঠলো! খুব কঠিন ডিসিশন ছিলো সেটা, তবে তারচেয়েও কঠিন ছিলো সেসময় সবকিছু সামলে চলা! তার স্বামী হাসান চাকরি ছাড়ার ব্যাপারে সম্মতি কিংবা অসম্মতি কিছুই দেয়নি! তবে সেভাবে কোন সহোযোগিতাও করেনি! 


এরপর শ্রেয়া, শারাফ হলো। কিভাবে এতোগুলা বছর কেটে গেলো, বুঝতেই পারলোনা নীরা! হাসান ভালো চাকরি করে৷ তবুও তিন বাচ্চা সামলে ঢাকায় চলা সত্যিই কঠিন। নীরা সেটা জানে! আর জানে বলেই সংসারের অনেক খরচই সে কমাবার চেষ্টা করে! বাচ্চাদের পড়াশোনা, সংসারের যাবতীয় কাজ সে একা সামলে নেয়! এদিক সেদিক থেকে খরচ বাঁচিয়ে কিছু সেভিংস ও করেছে। বাচ্চাদের জন্য বাড়তি খরচ, এমনকি হাসানের গ্রামের বাড়িতে কোন সমস্যায় সাহায্য প্রয়োজন হলে, সে দিব্বি তার সেভিংস থেকে দিতে পারে। অনেক অবাকও হয় হাসান! কিন্তু কখনো শিকার করেনা! তারচেয়েও বড় কথা, অনেকসময়ই অনেকের কাছে এমন আক্ষেপের কথা বলে, যেমন আজ বলছে! নীরার এই সহোযোগিতাগুলো যতই সামান্য হোক, সত্যিই কি সে হাসানের জন্য সেভাবে কিছু করতে পারেনা? 


উপরের দুটো ঘটনাই কিন্তু আমাদের বর্তমান সমাজে নিরেট সত্যি। হয়তো গল্পে কিছুটা ভিন্নতা থাকে, কিন্তু ফলাফল একিই। কিছু ব্যাতিক্রম হয়তো আছে, তবে সে সংখ্যাটা এতোই নগন্য যে, উদাহরণ হিসেবে ধরা যায়না! আমাদের আগের জেনারেশনের মায়েরা শিক্ষা কিংবা সামাজিক কারণে মোটামুটি একটা বড় অংশ একিরকম জীবন কাটাতো। সেজন্য তখন এতোটা তুলনা হয়তো আসতোনা! তবে, কিছু সংখ্যক ছিলো ভিন্ন, তারা সেই শিকলগুলো মুক্ত করে নিজের মনের কথা শুনতো! কিন্তু এ যুগের মায়েদের একটা বড় অংশ, বিশাল এক দ্বন্দ নিয়ে জীবন কাটাচ্ছে। ভালো-মন্দের দ্বন্দ! উচিৎ-অনুচিতের দ্বন্দ! 


যে সবকিছু পেছনে ফেলে বাইরের জগতে পা বাড়াচ্ছে, সেও সমালোচিত! আবার যে একটা বিশাল সম্ভাবনা কে বাক্সবন্দী করে, চারদেয়ালে নিজেকে আবদ্ধ করছে, সেও সমালোচিত! আর এই সমালোচনাগুলোর সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হচ্ছে, তাদের সন্তানদের কাছে তারা সঠিক সম্মান টা পাচ্ছেনা অথবা আস্তে আস্তে হারচ্ছে।


আমার কাছে মনে হয়, কর্মহীন নারী বলে কোন শব্দ নেই। প্রত্যেকেই তার জীবনে একজন যোদ্ধা। আর একজন নারী যখন মা, তখন তার যুদ্ধটা দ্বিগুন/ তিনগুন! কে আপনাকে কদর করলো আর কে করলো না, এই বিচারকে প্রাধান্য দিলে, নিজের ভেতরে অশান্তি অনুভব ছাড়া আর কোন সুবিধা আপনি পাবেন না। আপনি ঘরে অথবা বাইরে যুদ্ধ করার যে জীবনটাই বেছে নেন, এর মূল্য আপনাকেই দিতে হবে! যেটা আপনার সাথে যায়, যা কিছু আপনার মন কে সস্তি দেয়, সে জীবনটাই বেছে নিন। তবে খেয়াল রাখার বিষয় হলো- আপনার বেছে নেয়া জীবনের দায়ভার অন্যকারো নয়! দোষারোপ করা থেকে বিরত থাকুন। নিজেকে নিজে মূল্যায়ন করুন! আপনি কতটা কি পারবেন! তারপর নিজেকেই নিজে বলেন- "You are doing great". 🙂


@নুসরাত _শামা

২৭-০৯-২১ইং..